বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দল এশিয়ান কাপে চীনের বিপক্ষে লড়াই করে হারলেও নিজেদের লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। থাইল্যান্ডে চলমান এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে আজ চীনের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে শক্তির বিচারে অনেক এগিয়ে থাকা এশিয়ার পরাশক্তি চীনের বিপক্ষে মেয়েরা দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
ম্যাচের প্রথমার্ধে চীনের একের পর এক আক্রমণ সামলে গোলশূন্য রেখেছিল বাংলাদেশ। গোলরক্ষক মিলি আক্তার ছিলেন অসাধারণ। একাধিক ওয়ান-অন-ওয়ান পরিস্থিতিতে দুর্দান্ত সেভ করে দলকে বিপদমুক্ত করেন তিনি। নিয়মিত গোলরক্ষক রুপ্না চাকমার পরিবর্তে খেলতে নেমে মিলি আস্থার প্রতিদান দেন চমৎকারভাবে।
বিজ্ঞাপন
বিরতির পরপরই অবশ্য খেই হারায় লাল-সবুজের ডিফেন্স। ৪৬ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা আক্রমণে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বল পেয়ে গোল করে চীনকে এগিয়ে দেন মিডফিল্ডার ইউও। ৮২ মিনিটে ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া জোরালো ফ্রি-কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওয়াং।
ফরোয়ার্ড সাগরিকা কয়েকটি কাউন্টার অ্যাটাকে গোল শোধের চেষ্টা করলেও চীনের শক্তিশালী রক্ষণভাগ তা প্রতিহত করে।
উল্লেখ্য, মাত্র এক মাস আগে অস্ট্রেলিয়ায় সিনিয়র এশিয়ান কাপেও চীনের কাছে ০-২ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেবার প্রথমার্ধেই দুই গোল খেলেও দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিরোধ গড়েছিল মেয়েরা। আর আজ ঠিক তার উল্টো চিত্র দেখা গেল। ম্যাচ শেষে চীনা ফুটবলাররা বাংলাদেশের লড়াকু মনোভাবের প্রশংসা করে সম্মান জানিয়েছেন।
টানা দুই ম্যাচ হারলেও এখনো শেষ হয়নি বাংলাদেশের স্বপ্ন। বর্তমানে গ্রুপে শূন্য পয়েন্ট ও -৩ গোল ব্যবধান নিয়ে আছে তারা। আগামী ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামের বিপক্ষে জয় বা ড্র করতে পারলে এবং অন্য ম্যাচের ফলাফল অনুকূলে থাকলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেটি হলে নারী ফুটবলে দেশের জন্য হবে নতুন ইতিহাস।
বিজ্ঞাপন
এসটি

