দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের ভাতা দেওয়ার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০টায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে ১৫টি ভিন্ন ডিসিপ্লিনের মোট ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ এই ক্রীড়া ভাতার অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শনিবার (২৮ মার্চ) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, কেবলমাত্র জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এমন ক্রীড়াবিদরাই এই সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, ‘তাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস অন্তর তালিকা পর্যালোচনা করা হবে। কেউ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে সুবিধা অব্যাহত থাকবে, আর পারফরম্যান্সে পিছিয়ে পড়লে তালিকা থেকে বাদ পড়তে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম ধাপে আর্চারি, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, ভারোত্তোলন, উশু, প্যারা অ্যাথলেটিকস, কারাতে, সেপাক তাকরো, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ভলিবল, বাস্কেটবল, ব্রিজ ও ফুটসালের ক্রীড়াবিদরা এই সুবিধা পাচ্ছেন। তবে এই তালিকায় ক্রিকেটার ও ফুটবলারদের রাখা হয়নি।’
বিজ্ঞাপন
ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়ার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘তারা তুলনামূলক আর্থিকভাবে সচ্ছল। তাই আপাতত আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা ক্রীড়াবিদদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য ক্রীড়াবিদদের বিষয়েও বিবেচনা করা হবে।’
এম/ক.ম

