সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

বাবর-ফখর আসলেই চোটে কি না তদন্তের অনুরোধ নির্বাচকদের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩ পিএম

শেয়ার করুন:

বাবর-ফখর আসলেই চোটে কি না তদন্তের অনুরোধ নির্বাচকদের

আইসিসি পুরুষদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ চলাকালে বাবর আজম ও ফখর জামানের চোটের বিষয়টি তদন্তের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) কাছে অনুরোধ জানিয়েছে পাকিস্তান পুরুষ দলের নির্বাচক কমিটি। শনিবার বিষয়টি জানিয়েছেন নির্বাচক কমিটির সদস্য আকিব জাভেদ।

২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে দলটি। এই সিরিজের জন্য বাবর আজম ও ফখর জামানসহ ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘ সংস্করণে ভালো পারফরম্যান্সের পরও এই দুই ব্যাটারকে দলে না রাখায় নির্বাচক কমিটির সমালোচনা করেন অনেক সমর্থক। তাদের বিরুদ্ধে ‘ফরম্যাট মিশ্রণের’ অভিযোগও ওঠে।


বিজ্ঞাপন


সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে নির্বাচকরা জানিয়েছেন, ফিটনেস সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণেই চলমান সিরিজের জন্য বাবর ও ফখরকে বিবেচনায় আনা হয়নি। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে আকিব জাভেদ বলেন, বাবর ও ফখর দুজনই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালেই চোটে পড়েছিলেন এবং নির্বাচক কমিটি এ বিষয়ে আগে অবগত ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সারফরাজ আহমেদ, আসাদ শফিক ও মিসবাহ–উল–হক। আকিব জাভেদ বলেন, “এই সিরিজে কিছু খেলোয়াড়কে রাখা হয়নি। বাবর আজমের চোটের বিষয়ে বলতে গেলে, বিশ্বকাপ থেকে ফেরার পর আমাদের ডাক্তার তাকে পরীক্ষা করেছেন। তার যে চোট রয়েছে, সেটির কারণে সে এই সিরিজ কিংবা ন্যাশনাল টি–টোয়েন্টি কাপেও খেলতে পারছে না। যদিও সে খেলতে চেয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “ফখরও চোটে আছে। এই বিষয়েও আমরা ক্রিকেট বোর্ডের কাছে তদন্ত চেয়েছি। কীভাবে সম্ভব যে বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই আমরা জানতে পারলাম বাবর ও ফখর দুজনই চোটে? বিশ্বকাপের সময় যখন তারা খেলছিল, তখন কি তাদের ফিটনেস দেখা হয়নি? তারা কি পুরোপুরি ফিট না হয়েই দলে ছিল? আমরা নির্বাচক- এসব বিষয় আমাদের জানা উচিত।”

বাংলাদেশের বিপক্ষে চলমান সিরিজে ছয়জন অভিষেকহীন ক্রিকেটার দলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও কথা বলেন আকিব জাভেদ। তার দাবি, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই তরুণদের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমরা আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, বিশ্বকাপের পর এই সিরিজে মাআজ সাদাকাতের মতো তরুণদের পাঠাব। বিশ্বকাপের আগেই ঠিক করা ছিল যে এখানে পূর্ণ শক্তির দল পাঠানো হবে না। ২০২৪ সালে জিম্বাবুয়ে সিরিজের সময় থেকেও আমরা নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দিয়ে আসছি, যাতে ভবিষ্যতের জন্য আরও বিকল্প তৈরি হয়।”

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর