রোববার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

ভারত-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল

আইসিসি ইভেন্টে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে কোন দল?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম

শেয়ার করুন:

আইসিসি ইভেন্টে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে কোন দল?

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। আইসিসি টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই দুই দলের লড়াই প্রায়ই দেখা যায়, আর সেখানে পরিসংখ্যানের দিক থেকে এগিয়ে থাকে নিউজিল্যান্ড। আইসিসি ইভেন্টে দুই দল এখন পর্যন্ত মোট ১৯ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ভারত জিতেছে মাত্র ৬টি ম্যাচ, আর বাকি ম্যাচগুলোর বেশিরভাগই জিতেছে নিউজিল্যান্ড।

বিশেষ করে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে এখনো হারেনি নিউজিল্যান্ড। ২০০৭, ২০১৬ ও ২০২১ সালের তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে কিউইরা। তবে মজার বিষয় হলো, দ্বিপাক্ষিক সিরিজে প্রায় সব ফরম্যাটেই নিউজিল্যান্ডকে নিয়মিত হারায় ভারত। কিন্তু আইসিসি টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হলেই চিত্রটা অনেক সময় উল্টো হয়ে যায়। এর পেছনে কয়েকটি ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


প্রথমত, সুইং বোলিংয়ের সামনে ভারতের টপ অর্ডারের দুর্বলতা। নিউজিল্যান্ডের বোলাররা নতুন বলে সুইং করাতে পারদর্শী। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ২০২১ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি ও ম্যাট হেনরি ভারতের টপ অর্ডারকে শুরুতেই ধাক্কা দিয়েছিলেন। রোহিত শর্মা, কে এল রাহুল ও বিরাট কোহলির দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ায় ভারত বড় চাপে পড়ে যায়।

দ্বিতীয়ত, নিউজিল্যান্ডের কৌশলগত শৃঙ্খলা ও দলগত পারফরম্যান্স। তারা অনেক সময় তারকাভিত্তিক ক্রিকেটের বদলে দলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে ম্যাচ জেতে। ২০১৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নাগপুরে টার্নিং পিচে তারা ভারতের বিপক্ষে স্পিন দিয়েই ম্যাচ জিতে নেয়। মিচেল স্যান্টনার ও ইশ সোধি ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিয়ে ১২৭ রান রক্ষা করেছিলেন।

তৃতীয়ত, নকআউট ম্যাচে মানসিক চাপ। দীর্ঘ সময় ধরে আইসিসি নকআউট ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জিততে পারেনি ভারত। ২০০০ সালের আইসিসি নকআউট ট্রফির পর দীর্ঘদিন এই ধারা চলেছিল। যদিও ২০২৩ বিশ্বকাপে ভারত অবশেষে সেই বাধা ভেঙেছিল, তবে পরে ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারে।

তবে সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন বর্তমান ভারতীয় দল কিছু দিক থেকে আলাদা। প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের অধীনে দল এখন অনেক বেশি আক্রমণাত্মক কৌশলে খেলছে। আগের মতো নতুন বল সামলে ধীরে খেলার বদলে এখন পাওয়ারপ্লেতেই দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে তারা। এতে নিউজিল্যান্ডের সুইং বোলারদের পরিকল্পনা অনেক সময় ভেঙে যায়।


বিজ্ঞাপন


এর সঙ্গে রয়েছে রহস্যময় স্পিন আক্রমণ এবং শক্তিশালী মিডল অর্ডার। হার্দিক পান্ডিয়া ও শিভম দুবের মতো ফিনিশার থাকায় শুরুতে উইকেট পড়লেও দল রান তোলার গতি ধরে রাখতে পারে।

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর