শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টুর্নামেন্টসেরা হওয়ার দৌড়ে যারা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

শেয়ার করুন:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টুর্নামেন্টসেরা হওয়ার দৌড়ে যারা

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারের জন্য আটজন ক্রিকেটারের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। এই খেলোয়াড়রা টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যাট, বল ও অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেদের আলাদা করে তুলেছেন। ফাইনালের আগে এই তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে ভারতের সঞ্জু স্যামসন একমাত্র ভারতীয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।

টুর্নামেন্টের শুরুতে বেঞ্চে থাকলেও শেষের দিকে দুর্দান্ত ফিরে এসেছেন স্যামসন। মাত্র চার ম্যাচে ২৩২ রান করেছেন তিনি, গড় ৭৭.৩৩ এবং স্ট্রাইক রেট ২০১.৭৩। সুপার এইটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন, তারপর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ বলে ৮৯ রান করে টানা দুই ম্যাচে ম্যাচসেরা হন। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ভারতের ফাইনালে ওঠার পথ সহজ করেছে।


বিজ্ঞাপন


অলরাউন্ডার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছেন রাচিন রবীন্দ্র। আট ম্যাচে ১১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ১২৮ রান করেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩২ রান ও চার উইকেট, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন উইকেট। এমন পারফরম্যান্স দিয়ে তিনি দলের ভারসাম্য বজায় রেখেছেন।

ধারাবাহিকতার উজ্জ্বল উদাহরণ টিম সেইফার্ট। আট ম্যাচে ২৭৪ রান করেছেন, গড় ৪৫.৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬১.১৭। টুর্নামেন্টের শুরুতে আফগানিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে অর্ধশতক করেন। সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫৮ রানের ইনিংসে ফিন অ্যালেনের সঙ্গে ১১৭ রানের জুটি গড়ে দলকে ফাইনালে তুলতে সাহায্য করেন।

ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার উইল জ্যাকস টুর্নামেন্টে চারবার ম্যাচসেরা হয়েছেন। আট ম্যাচে ২২৬ রান ও ৯ উইকেট নিয়েছেন। শেষের দিকে দ্রুত রান তোলার কাজে দারুণ করেছেন, ইতালির বিপক্ষে ২২ বলে অপরাজিত ৫৩ রান (তিন চার, চার ছক্কা)। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চার ওভারে তিন উইকেট নেন। তার বহুমুখী অবদান ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গেছে।

পেস বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন লুঙ্গি এনগিদি। সাত ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়েছেন, ইকোনমি ৭.১৯। কানাডার বিপক্ষে চার উইকেট দিয়ে শুরু করেন, আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন করে উইকেট নেন। প্রোটিয়াদের পেস আক্রমণের মূল স্তম্ভ ছিলেন তিনি।


বিজ্ঞাপন


অধিনায়ক হিসেবে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন এইডেন মার্করাম। আট ম্যাচে ২৮৬ রান করেছেন, তিনটি অর্ধশতক সহ। নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ৮৬ রান করে দলকে জয় এনে দেন। তার স্থিরতা দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনালে ওঠার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সাহিবজাদা ফারহান। সাত ম্যাচে ৩৮৩ রান করেছেন, গড় ৭৬.৬০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬০.২৫। এক আসরে দুটি শতক করা প্রথম খেলোয়াড় তিনি, শ্রীলঙ্কা ও নামিবিয়ার বিপক্ষে। পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠতে না পারলেও তার ব্যাটিং ছিল উজ্জ্বল।

চমক দেখিয়েছেন আমেরিকান পেসার শ্যাডলি ফন স্কাল্কউইক। মাত্র চার ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে উইকেটের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন, ইকোনমি ৬.৮০। ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে চার করে উইকেট নেন। তার পারফরম্যান্স যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অভাবনীয় সাফল্য এনেছে।

এই আটজনের মধ্য থেকে ফাইনালের পর আইসিসি ঘোষণা করবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।

এসটি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর