টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলতি আসরে গ্রুপপর্বের বাঁধা টপকে সুপার এইটে উঠলেও সেমিফাইনালের আগেই বিদায় নেয় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান দল। টুর্নামেন্টে হতাশাজনক পারফরম্যান্সেরপর দলটির ওপর আর্থিক জরিমানাও আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যেই নতুন করে সামনে এসেছে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা।
যা দলের ভাবমূর্তিতে আরও আঘাত হেনেছে। শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে দলের অবস্থানকালীন এক অজ্ঞাত পাকিস্তানি খেলোয়াড় হোটেলের এক নারী হাউসকিপিং স্টাফের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিজ্ঞাপন
টেলিকম এশিয়া স্পোর্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানের শেষ সুপার এইট ম্যাচের (শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) আগের দিনগুলোতে। দল যে গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলে ছিল, সেখানেই অভিযোগ ওঠে। সূত্রের বরাতে জানায়, খেলোয়াড়টি নারী স্টাফের সঙ্গে অনুচিত আচরণ করেন, যার ফলে স্টাফ চিৎকার করে সাহায্য চান। হোটেলের অন্য কর্মীরা এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং বিষয়টি পাকিস্তান দলের ম্যানেজার নাভেদ চিমাকে জানানো হয়।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে গুরুত্ব সহকারে নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেও, ম্যানেজার চিমা খেলোয়াড়ের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান এবং তাকে অসদাচরণের জন্য জরিমানা করেন। এভাবে বিষয়টি তখনকার মতো অভ্যন্তরীণভাবে মিটমাট হয়ে যায়।
পাকিস্তান দল ওই ম্যাচটি ৫ রানে জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারেনি। বিশ্বকাপ শেষে খেলোয়াড় ও স্টাফরা রবি ও সোমবার দেশে ফিরে আসেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত খেলোয়াড়কে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) শৃঙ্খলা কমিটির সামনে হাজির হতে হতে পারে এবং আরও শাস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাকিস্তান ক্রিকেটের ট্যুরে এ ধরনের অসদাচরণের ইতিহাসও রয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছর ইংল্যান্ডে পাকিস্তান শাহিনস ট্যুরে যুব ব্যাটার হায়দার আলীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ম্যানচেস্টার পুলিশের পক্ষ থেকে, পরে প্রমাণের অভাবে ছাড়া পান। এছাড়া কয়েক বছর আগে মালয়েশিয়া সফরে দলের ম্যাসাজার মালাং আলীকেও এক নারী স্টাফের সঙ্গে অসদাচরণের জন্য জরিমানা করা হয়েছিল।

