শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

মিয়ামিতে আবাসন সাম্রাজ্য গড়ছেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩১ পিএম

শেয়ার করুন:

মিয়ামিতে আবাসন সাম্রাজ্য গড়ছেন মেসি

লিওনেল মেসি এখন শুধু ফুটবল মাঠেই নয়, দক্ষিণ ফ্লোরিডার বিলাসবহুল জীবনেও বড় প্রভাব ফেলছেন। সম্প্রতি আর্জেন্টাইন এই তারকা মিয়ামির ব্রিকেল এলাকায় নির্মাণাধীন একটি আইকনিক ৮০ তলা টাওয়ার সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্সেসে চারটি অতি-বিলাসবহুল কনডোমিনিয়াম কেনার চুক্তি করেছেন। এটি তার দীর্ঘমেয়াদি ফ্লোরিডায় থাকার পরিকল্পনারই একটা বড় ইঙ্গিত। 

এই টাওয়ারের সবচেয়ে প্রিমিয়াম অংশ ‘ক্যানালেটো কালেকশন’-এর মধ্যে রয়েছে মেসির কেনা ইউনিটগুলো। এখানে মাত্র ৬৮টি অতি-লাক্সারি রেসিডেন্স ও ৬টি পেন্টহাউস আছে উপরের ১৮ তলায়। মোট ৩৯৭টি অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে টাওয়ারে, যার দাম শুরু হয়েছে ১৭ লাখ ডলার থেকে। মেসির একটি ইউনিটের আয়তন প্রায় ৩,৫০০ স্কয়ার ফুট, চার বেডরুমের, যার দাম প্রায় ৭৫ লাখ ডলার। এখান থেকে মিয়ামির স্কাইলাইন ও বিসকেইন বে-এর ৩৬০ ডিগ্রি অসাধারণ দৃশ্য পাওয়া যাবে।


বিজ্ঞাপন


সিপ্রিয়ানি রেসিডেন্সেসে থাকবে দুটি রিসোর্ট-স্টাইলের সুইমিং পুল, প্রাইভেট রেস্তোরাঁ ও স্পিকইজি লাউঞ্জ, ফুল-সার্ভিস স্পা, সনা, গলফ সিমুলেটর, সিনেমা হল, জিম, পিকলবল কোর্ট এবং ২৪ ঘণ্টা ক্যাটারিং সার্ভিস। ইন্টেরিয়র ডিজাইন করেছে ১৫০৮ লন্ডন, আর আর্কিটেকচারের দায়িত্বে আর্কিটেকটোনিকা।

এর আগে মেসি সানি আইলস বিচের পর্শে ডিজাইন টাওয়ারে একটি (কিছু রিপোর্টে একাধিক) ইউনিট কিনেছেন, যেখানে বিশেষ কার এলিভেটর দিয়ে গাড়ি সরাসরি অ্যাপার্টমেন্টের পাশে পার্ক করা যায়। এছাড়া ফোর্ট লডারডেলে একটি ১০.৭৫ মিলিয়ন ডলারের ওয়াটারফ্রন্ট ম্যানশন আছে তার, প্রায় ১০,৫০০ স্কয়ার ফুটের এই বাড়িতে ৮ বেডরুম, ৯-১০ বাথরুম, পুল, স্পা, জিম, দুটি ডক ও ১৭০ ফুট ওয়াটারফ্রন্ট রয়েছে।

২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মেসির চুক্তি চলছে ২০২৮ পর্যন্ত। মিয়ামির লাতিন আমেরিকান সংস্কৃতি, আর্জেন্টিনার কাছাকাছি অবস্থান, দারুণ আবহাওয়া, ভালো স্কুল সব মিলিয়ে এখানে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা স্পষ্ট। এছাড়া তার আসায় ইন্টার মিয়ামির ব্র্যান্ড অনেক বেড়েছে, টিকিট বিক্রি বেড়েছে, আর মিয়ামি ফুটবলের নতুন হাব হয়ে উঠেছে।

ফোর্ট লডারডেলের ওয়াটারফ্রন্ট বাড়ি থেকে শুরু করে সানি আইলসের স্কাই গ্যারেজ আর এখন ব্রিকেলের পেন্টহাউস—মেসি ধীরে ধীরে দক্ষিণ ফ্লোরিডার অন্যতম বড় লাক্সারি প্রপার্টি ইনভেস্টর হয়ে উঠছেন। এই সম্পত্তিগুলো হয়তো শুধু ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নয়, বিনিয়োগ হিসেবেও লাভজনক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মিয়ামিতে মেসির ‘সাম্রাজ্য’ আরও কত বড় হবে, সময়ই বলবে!

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর