ক্যারিয়ারে অসংখ্য সাফল্য থাকলেও একটি আক্ষেপ এখনো তাড়া করে বেড়ায় লিওনেল মেসিকে। ছোটবেলায় পড়াশোনায়, বিশেষ করে ইংরেজি শেখার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়াটাকেই নিজের ভুল বলে মনে করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মিয়ামির এই তারকা এবং ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী মেসি সম্প্রতি মেক্সিকান পডকাস্ট ‘মিরো দে আত্রাস’-এ নিজের এই আক্ষেপের কথা খোলাখুলি বলেন। ৩৮ বছর বয়সী মেসির ভাষায়, ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে দেখা হলেও ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে না পারায় নিজেকে অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়তে হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
“আমি অনেক কিছুর জন্যই অনুতপ্ত,” বলেন মেসি। “ছোটবেলায় ইংরেজি শেখা উচিত ছিল। সময় ছিল, অন্তত কিছুটা পড়াশোনা করতে পারতাম। কিন্তু করিনি। এটা নিয়ে আমার গভীর আফসোস আছে।” তিনি জানান, এমন অনেক পরিস্থিতিতে পড়েছেন, যেখানে বড় বড় ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে বসে কথা বলার সুযোগ ছিল। কিন্তু ভাষাগত সীমাবদ্ধতার কারণে নিজেকে ‘অর্ধেক অজ্ঞ’ মনে হয়েছে। “মনে হতো, কী বোকামিই না করেছি! সময়টা নষ্ট করেছি,” বলেন তিনি।
মেসির মতে, ছোটবেলায় এসব বিষয় অনেকেই গুরুত্ব দিয়ে ভাবেন না। এখন নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে সচেতন করছেন তিনি। “আমি আমার সন্তানদের সব সময় বলি, ভালো শিক্ষা নিতে হবে, পড়াশোনা করতে হবে, নিজেকে প্রস্তুত রাখতে হবে,” বলেন মেসি। “তাদের পরিস্থিতি আমার চেয়ে আলাদা। যদিও আমার কোনো কিছুর অভাব ছিল না, তবু তাদের সামনে আরও বেশি সুযোগ আছে।”
আর্জেন্টিনার রোজারিও শহর থেকে ১৩ বছর বয়সে বার্সেলোনায় পাড়ি জমান মেসি। কৈশোরেই ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার কারণে তার পড়াশোনার ধারাবাহিকতাতেও প্রভাব পড়ে। সেই সময়টাকে এখন ফিরে দেখলে কিছু অপূর্ণতা চোখে পড়ে তার- যার একটি ভাষা শেখার সুযোগ হাতছাড়া করা।

