ক্লাব ফুটবলের চলমান মৌসুমে যেন কোনোভাবেই সুখবর পাচ্ছে না রিয়াল মাদ্রিদ। লা লিগায় ওসাসুনার কাছে হেরে খোয়াতে হয়েছে লা লিগার শীর্ষস্থান। এবার লস ব্লাঙ্কোসরা মাঠে নামবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে। তবে বেনফিকার বিপক্ষে এ ম্যাচের আগে আরও এক দুঃসংবাদ পেয়েছে রিয়াল।
রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের প্লে–অফের দ্বিতীয় লেগে বেনফিকার বিপক্ষে খেলতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ফরাসি সংবাদমাধ্যম লে’কিপ। চোটের কারণেই তাকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বুধবারের ম্যাচ থেকে ছিটকে যেতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
গত ডিসেম্বর থেকে হাঁটুর সমস্যায় ভুগছেন এমবাপে। স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনাল ও বেনফিকার বিপক্ষে প্রথম লেগসহ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে পুরোপুরি ফিট না হয়েও খেলেছেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সেই চোটই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার অনুশীলন শেষ করতে পারেননি ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। পরীক্ষার পর তাকে অন্তত ১০ দিনের বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় লে’কিপ। ফলে বেনফিকার পাশাপাশি লা লিগায় গেতাফে ও সেল্তা ভিগোর বিপক্ষেও তার না খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি রিয়াল মাদ্রিদ।
খবরে বলা হয়েছে, ক্যারিয়ারে এর আগে এমন ব্যথা অনুভব করেননি এমবাপে। চোট নিয়ে খেলা চালিয়ে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। এতে শুধু রিয়ালের শিরোপা দৌড়ই নয়, ফ্রান্সের বিশ্বকাপ পরিকল্পনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। রিয়ালের জন্য সময়টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চ্যাম্পিয়নস লিগে টিকে থাকার লড়াইয়ের পাশাপাশি লা লিগায়ও শিরোপার দৌড়ে আছে তারা। টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে তাদের ব্যবধান মাত্র এক পয়েন্ট। গেতাফে বা সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারালে শিরোপার আশা বড় ধাক্কা খেতে পারে।
তবে এমবাপে যদি দুই সপ্তাহের কম সময়ের জন্য বাইরে থাকেন, তাহলে রিয়াল প্লে–অফ পেরোতে পারলে শেষ ষোলোয় তাকে পাওয়া যেতে পারে। এমবাপের শূন্যতা পূরণ করা সহজ নয়। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই মৌসুমে তার গোল ৩৮টি, যা দলের সর্বোচ্চ। সাদা জার্সিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোল মাত্র ১২টি।
স্বাভাবিকভাবে রদ্রিগো সামনে খেলতে পারতেন। কিন্তু লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় দ্বিতীয় লেগে তিনি নিষিদ্ধ। ফলে বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে গনসালো গার্সিয়ার নাম। স্বভাবতই তিনি একজন নাম্বার নাইন, বক্সের ভেতরে নিখুঁত ফিনিশিং ও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকার দক্ষতা রয়েছে তার। গত গ্রীষ্মে ক্লাব বিশ্বকাপে নিজেকে প্রমাণ করার পর থেকে এমবাপের বদলি হিসেবে ১০ গোল করেছেন ২১ বছর বয়সী এই স্প্যানিয়ার্ড। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে এখনো গোলের দেখা পাননি তিনি।

