জানুয়ারি মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচনের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আইসিসি। তিনজন ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন এইতালিকায়—ড্যারিল মিচেল, জো। রুট এবং সূর্যকুমার যাদব। এদিকে মেয়েদের জানুয়ারি মাসের ‘আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ’ এরসংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের সোবহানা মোস্তারি। উইমেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ব্যাট হাতে আলোছড়ানোয় এবার বাংলাদেশের এই ব্যাটারের সামনে দারুণ এক স্বীকৃতির হাতছানি।
আসন্ন নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশকে তোলার পথে বড় অবদান রাখেন সোবহানা। গত মাসে বাছাই পর্বে খেলাছয় ম্যাচে ৪৫.৮০ গড় ও ১৪৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে এই ব্যাটার করেন ২২৯ রান।
বিজ্ঞাপন
বছরের শুরুটা দুর্দান্ত কাটিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল। ভারতের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজে দল ২–১ ব্যবধানে জেতে, যেখানেগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। প্রথম ম্যাচে হারার পর পরের দুই ম্যাচে টানা সেঞ্চুরি করে দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেন ৩৪ বছরবয়সী এই ব্যাটার। পুরো সিরিজে তিনি ১৭৬ গড়ে মোট ৩৫২ রান করেন এবং হন সিরিজসেরা। শুধু ওয়ানডে নয়, ভারতের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজেও ভালো খেলেন মিচেল। পাঁচ ম্যাচে ১৮৬.৫৬ স্ট্রাইক রেটে করেন ১২৫ রান।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ইংল্যান্ডের জয়ে বড় অবদান রাখেন জো রুট। প্রথম ম্যাচে ৬১ রান করার পর দ্বিতীয়ম্যাচে ৭৫ এবং শেষ ম্যাচে অপরাজিত ১১১ রান করেন তিনি। তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ০–১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেও ২–১ব্যবধানে সিরিজ জেতে ইংল্যান্ড। পুরো সিরিজে ২৪২ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নেন ২টি উইকেট। তিনিই হন সিরিজসেরা।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দারুণ ছন্দে ফেরেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে তিনি তিনটি হাফসেঞ্চুরি করেন। টানা ২৫ ম্যাচে ফিফটি না পাওয়ার পর এমন পারফরম্যান্স ছিল দারুণ প্রত্যাবর্তন।তার নেতৃত্বে ভারত ৪–১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে। সূর্যকুমার ১৯৬.৭৪ স্ট্রাইক রেটে ২৪২ রান করে সিরিজসেরা হন।
বিশেষ করে দ্বিতীয় ম্যাচে তার অপরাজিত ৮২ রানের ঝড়ো ইনিংসে মাত্র ১৫.২ ওভারেই ২০৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় পায় ভারত।টি–টোয়েন্টিতে এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া।

