মাইকেল ক্যারিকের অধীনে টানা চার জয়ের দাপট নিয়ে ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে নেমেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তবে সেই ছন্দ থামল এবার। অবশ্য শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়িয়েছে রেড ডেভিলরা। ফার্গি টাইমে বেঞ্জামিন সেস্কোর গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ক্যারিকের দল। যোগ করা সময়ে সেস্কোর ঝলকেই ১–১ সমতায় ফিরেছে ইউনাইটেড।
ম্যাচের শুরু থেকেই ওয়েস্ট হ্যাম শৃঙ্খলিত ফুটবল খেলেছে। ক্যারিকের ইউনাইটেড সাম্প্রতিক সময়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলে আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার সিটি আর টটেনহ্যামকে হারিয়ে প্রশংসা কুড়ালেও এদিন সেই ধার ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জ্যারড বোয়েনের ক্রস থেকে টমাস সউচেক গোল করে এগিয়ে দেন স্বাগতিকদের।
হার মানতে রাজি ছিল না ইউনাইটেড। শেষ দিকে চাপ বাড়াতে থাকে তারা। আর যোগ করা সময়ে ব্রায়ান এমবেউমোর ক্রসে দারুণ ফ্লিক করে সমতা ফেরান সেস্কো। গোলটি ওয়েস্ট হ্যামের সম্ভাব্য তিন পয়েন্ট কেড়ে নেয়। ম্যাচ শেষে ক্যারিক স্বীকার করেন, “আমরা আজ সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি। তীক্ষ্ণতা ছিল না। তবে দলীয় মনোভাব দারুণ ছিল, এই পয়েন্ট নিয়েই এগোতে হবে।”
এই ড্রয়ের পরও চতুর্থ স্থানেই আছে ইউনাইটেড। কারণ পঞ্চম স্থানের চেলসি নিজেদের মাঠে লিডসের বিপক্ষে ২–০ এগিয়ে থেকেও ২–২ ড্র করেছে। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে জোয়াও পেদ্রোর গোল আর কোল পামারের পেনাল্টিতে জয়ের পথে ছিল চেলসি। কিন্তু মইসেস কাইসেডোর বেপরোয়া ট্যাকল থেকে লিডস পেনাল্টি পায়, যা থেকে লুকাস নেমেচা গোল করে ম্যাচে ফেরে। পরে গোলমুখের ভিড়ে নোয়া ওকাফোর সমতা আনেন।
টটেনহ্যামের অবস্থা আরও শোচনীয়। নিউক্যাসলের কাছে ২–১ হেরে রেলিগেশন অঞ্চলের খুব কাছাকাছি চলে গেছে তারা। দর্শকদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন কোচ থমাস ফ্র্যাঙ্ক। “সকালে চাকরি যাবে” এমন স্লোগানও উঠেছে গ্যালারি থেকে। ম্যালিক থিয়াও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নিউক্যাসলকে এগিয়ে দেন। বিরতির পর আর্চি গ্রে সমতা আনলেও দ্রুতই জ্যাকব র্যামসি আবার লিড এনে দেন সফরকারীদের।




