পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দল যখন বুলাওয়েতে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিচ্ছিল, ঠিক তখনই দেশটির সরকার তাদের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে ঘোষণা দেয়- টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান।
এ ঘটনায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) থেকে আনুষ্ঠানিক বার্তা পাওয়ার পরই আইসিসি অবস্থান জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া যে কঠোর হতে পারে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন- ভারত ম্যাচ বয়কট করায় যেসব শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে পাকিস্তান
আরও পড়ুন- পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট বিষয়ে আইসিসি যা বলছে
পাকিস্তান সরকারের পোস্টে বলা হয়, “পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে আইসিসি ওয়ার্ল্ড টি–টোয়েন্টি ২০২৬–এ অংশ নেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।”
এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ভারতের সাবেক ক্রিকেটার আতুল ওয়াসান। এনডিটিভিকে তিনি বলেন, “পাকিস্তান সব ক্রিকেটখেলা দেশ ও আইসিসির জন্য সমস্যার কারণ হয়েছে। এখনই সময় আইসিসির উচিত তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বের করে দেওয়া।” ওয়াসানের মতে, এতে ভারতের কোনো ক্ষতি হবে না; বরং বড় ধাক্কা খাবে পাকিস্তান ক্রিকেটই। আইসিসির জন্য এটিই হতে পারে ‘উদাহরণ’ তৈরির সঠিক সময়।
বিজ্ঞাপন
কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকের পর পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ক্রিকেট বিশ্বে অনিশ্চয়তা তৈরি করেন। ২৬ জানুয়ারি ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে নাকভি সামাজিক মাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার থেকে সোমবারের মধ্যে নেওয়া হবে।
নাকভির পোস্টে বলা হয়েছিল, “প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। আইসিসি ইস্যু নিয়ে তাকে ব্রিফ করেছি। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, সব বিকল্প খোলা রেখে বিষয়টি সমাধান করতে। শুক্রবার অথবা আগামী সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তবে নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সরকার তাদের সিদ্ধান্ত জানায়। পরে পিসিবি সেই পোস্ট শেয়ার করে নিজেদের সম্মতির ইঙ্গিত দেয়।

