আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসর মাঠে গড়াবে আগামী মাসেই। তবে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের ক্রিকেটের মেগা এ টুর্নামেন্ট শুরুর সময় যত ঘনিয়ে আসছে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা ততই যেন বাড়ছে। মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার কারণে ভারতে গিয়ে খেলতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ। এরপর থেকেই আলোচনা, টাইগারদের ম্যাচগুলো অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেওয়া হবে কি না বাঁ বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে খেলবে কি না।
তবে সম্প্রতি ক্রিকেটবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো এবং সংবাদ সংস্থা এএফপিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে কি না তা জানাতে আইসিসি ২১ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেললে তাদের বদলে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন
এরপর থেকেই আলোচনা শুরু হয় বাংলাদেশ আদৌ বিশ্বকাপে খেলতে পারবে কি না তা নিয়ে। তবে আইসিসি থেকে বাংলাদেশকে কোনো সময় বেঁধে দেওয়া হয়নি বলেই গতকাল জানিয়েছে বিসিবি। বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন সংক্ষিপ্ত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, বিসিবির সঙ্গে বৈঠকের পর আইসিসি প্রতিনিধিরা বলেছেন, তাঁরা ফিরে গিয়ে আইসিসিতে সবকিছু জানাবেন। এরপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এ ব্যাপারে ওনারা সুনির্দিষ্টি তারিখ বা কবে নাগাদ জানাবেন, কিছুই বলেননি। শুধু জানিয়েছেন, পরবর্তী তারিখটি কবে হবে, আমাদের জানিয়ে দেবেন।’
বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ২০ দলের কাছে আইসিসির স্বাধীন নিরাপত্তা সংস্থার পাঠানো প্রতিবেদনে ভারতে সার্বিক ঝুঁকির পরিমাণ মাঝারি থেকে উচ্চ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোনো সফরকারী দলের প্রতিই সরাসরি ও সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। এই সভার আলোচনা নিয়ে জানাশোনা আছে, এমন ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে ক্রিকইনফো জানায়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিসিবির অপেক্ষা করবে আইসিসি।
শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলতে বাংলাদেশ যদি ভারতে না যায়, তাহলে বিকল্প হিসেবে র্যাঙ্কিং অনুযায়ী স্কটল্যান্ড সুযোগ পাবে বলে জানায় ক্রিকইনফো। ভারতের রাজনৈতিক নেতা ও উগ্রবাদী ধর্মীয় নেতাদের দাবির মুখে মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পরপর গত ৪ জানুয়ারি নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।

