হাসান ইসাখিলের মারকুটে সেঞ্চুরিতে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। রোববার শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ধীর শুরুর পর শেষদিকে ঝড় তুলে তারা তোলে ২ উইকেটে ১৭৩ রান।
চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য গড়ার দিনে নোয়াখালীর নায়ক ছিলেন ইসাখিল। ওপেনার হিসেবে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে তিনি করেন ১০৭ রান, খেলেন ৭২ বল। ইনিংসের শুরুতে বেশ ধৈর্য ধরেন তিনি- ৫০ বল খেলে তুলে নেন ফিফটি। এরপর গিয়ার বদলে রংপুরের বোলারদের ওপর চড়াও হন ইসাখিল। অধিনায়ক হায়দার আলীর (৪২*, অপরাজিত) সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে ম্যাচের চিত্রই পাল্টে দেন এই ওপেনার।
পাওয়ারপ্লেতে রংপুরের বোলাররা দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে নোয়াখালীকে আটকে রাখে মাত্র ৩৩ রানে। শুরুতেই নাহিদ রানা রহমত আলীকে তুলে নেন, এরপর আলিস আল ইসলাম মাত্র ৩ রানে জাকের আলীকে বোল্ড করেন। নবম ওভারে নোয়াখালীর স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৩৯ রান, রানরেট তখন ৪.৫-এর নিচে।
বিজ্ঞাপন
মাঝের ওভারগুলোতেও চেপে ধরে রাখে রংপুর। খুশদিল শাহ ও আলিস আল ইসলাম টানা ডট বল দিয়ে আইসাখিলকে ধীরে খেলতে বাধ্য করেন। ১৫ ওভার শেষে নোয়াখালীর রান ছিল ৯৮/২, তখন মনে হচ্ছিল তাদের স্কোর ১৩০-এর মধ্যেই আটকে যাবে।
কিন্তু শেষ পাঁচ ওভারে পুরো চিত্র বদলে যায়। শেষ ৩০ বলে আসে ৭৫ রান। শেষ ওভারে আকিফ জাভেদ দেন ২৮ রান। ওই ওভারেই একের পর এক ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইসাখিল। ইনিংস শেষে তার নামের পাশে ছিল ১১টি বিশাল ছক্কা, তাঁর এই ইনিংসেই নোয়াখালী এক্সপ্রেস দাঁড় করায় লড়াই করার মতো বড় লক্ষ্য।

