শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা, আসছেন একজন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

শেয়ার করুন:

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা, আসছেন একজন

আইসিসি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে চলমান অচলাবস্থা শিগগিরই কাটতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে। ঢাকায় এসে আইসিসির এক প্রতিনিধি বিসিবির সঙ্গে বৈঠকে বসলে এই জটিলতার সমাধান হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্রিকেটকে ঘিরেই হওয়ার কথা ছিল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬। কিন্তু টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে একের পর এক নাটক থামছেই না। শুরুতে ছিল বাংলাদেশ দলের ভারতে যেতে অস্বীকৃতি, এরপর রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আর এবার আলোচনায় এসেছে ভিসা জটিলতাও। তবে এবার সমস্যায় পড়েননি খেলোয়াড়রা, বরং আইসিসির প্রতিনিধি দলই বিতর্কে জড়িয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার জন্য আসার কথা ছিল আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলের। তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক জ্যেষ্ঠ আইসিসি কর্মকর্তা বাংলাদেশি ভিসা না পাওয়ায় সফরে আসতে পারেননি। ফলে আইসিসির দুর্নীতি ও নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ একাই ঢাকায় এসে আলোচনায় বসছেন।

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি সময় নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা টুর্নামেন্টটি। অথচ বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, তারা ভারতে গিয়ে খেলবে না। কলকাতা ও মুম্বাইয়ে নির্ধারিত চারটি গ্রুপ ম্যাচ খেলতে দল পাঠানো হবে না বলে বিসিবির অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। বাংলাদেশের দাবি, তারা কেবল শ্রীলঙ্কায় (সহ-আয়োজক) ম্যাচ খেলতে রাজি।

এফগ্রেভের সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো- ভারতে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব, তা বোঝানো। তিনি কলকাতা ও মুম্বাইয়ে ম্যাচ হলে কীভাবে নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এ নিয়ে তিনি বিসিবির পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

তবে ভিসা জটিলতার ঘটনাই দেখিয়ে দিচ্ছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পরিস্থিতি কতটা সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। বিসিবির অবস্থানের পেছনে বাংলাদেশ সরকারের সমর্থনও রয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এর আগে আইসিসি ও বিসিসিআই যৌথভাবে বিকল্প হিসেবে ভারতের অন্য ভেন্যুর কথা ভেবেছিল। চেন্নাই ও তিরুবনন্তপুরামে বাংলাদেশের গ্রুপ ম্যাচ আয়োজন করা যায় কি না, সে বিষয়ে তামিলনাড়ু ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (টিএনসিএ) ও কেরালা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (কেসিএ) সঙ্গে কথা বলা হয়। দুই সংস্থাই ম্যাচ আয়োজনের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছিল।

এখন দেখার বিষয়, ঢাকার আলোচনায় আইসিসি ও বিসিবি কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে কি না। সময় যত গড়াচ্ছে, চাপ ততই বাড়ছে দুই পক্ষের ওপর।

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর