আসন্ন নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য বাংলাদেশের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার ঘোষিত দলে নতুন মুখ হিসেবে জায়গা পেয়েছেন উইকেটকিপার–ব্যাটার জুয়ারিয়া ফেরদৌস। দীর্ঘদিন পর টি–টোয়েন্টি দলে ফিরেছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার ফারজানা হক পিংকিও।
নেপালে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ১০ দল নিয়ে এই বাছাইপর্বের দলে জুয়ারিয়াকে নেওয়া হয়েছে তার ঘরোয়া পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। সর্বশেষ নারী জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) ১৮৯ রান করেন তিনি, স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩১.২৫। এর আগে তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন।
বিজ্ঞাপন
দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ শিপন বলেন, “জুয়ারিয়া শেষ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলেছে। সে ওপেনার হিসেবেও খেলেছে, আবার মিডল অর্ডারেও ব্যাট করেছে। প্রিমিয়ার লিগ ও এনসিএলে ভালো করেছে। সে পরিষ্কার শট খেলতে পারে। আমরা পাওয়ারপ্লেতে ভিন্ন ধরনের ক্রিকেট খেলতে চাই, সেই ভাবনা থেকেই তাকে দলে নেওয়া হয়েছে।”
দীর্ঘদিন টি–টোয়েন্টি দলের বাইরে থাকা ফারজানা হক পিংকিও ফিরেছেন এই স্কোয়াডে। সবশেষ ২০২৩ সালের মে মাসে শ্রীলঙ্কা সফরে টি–টোয়েন্টি খেলেছিলেন তিনি।
পিংকিকে নেওয়ার ব্যাখ্যায় শিপন বলেন, “একজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় অনেক দিন পর দলে ফিরেছে। এনসিএলে সে ৯৫ থেকে ১০০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছে এবং কয়েকটি ম্যাচ ভালোভাবে শেষ করেছে। পাওয়ারপ্লে পরিকল্পনা কাজে না এলে ব্যাকআপ হিসেবে পিংকি আমাদের সহায়তা করবে।”
বাংলাদেশ নারী দলও বেশ কিছুদিন পর টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফিরছে। সবশেষ জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে টি–টোয়েন্টি খেলেছিল দলটি। এ নিয়ে শিপন বলেন, “আমরা কিছুদিন পর টি–টোয়েন্টি খেলতে নামছি। আইসিসির পূর্ণ সদস্য হিসেবে বাছাইপর্বে ভালো করার ব্যাপারে আমি আশাবাদী।”
বিজ্ঞাপন
এদিকে চোটের কারণে স্পিনার নিশিতা আক্তার নিশিকে স্কোয়াডে রাখা হয়নি। বাংলাদেশ তাদের বাছাইপর্ব শুরু করবে ১৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। এরপর ২০ জানুয়ারি পাপুয়া নিউগিনি, ২২ জানুয়ারি নামিবিয়া এবং ২৪ জানুয়ারি আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে তারা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ তিন দল সুপার সিক্সে উঠবে। সেখানে রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে খেলা শেষে সেরা চার দল আগামী জুন–জুলাইয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিতব্য নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।
বাংলাদেশ নারী দলের স্কোয়াড
নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), সোবহানা মোস্তারি, ফারজানা হক, শারমিন আক্তার সুপ্তা, দিলারা আক্তার, জুয়ারিয়া ফেরদৌস, রিতু মণি, ফাহিমা খাতুন, শর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, শানজিদা আক্তার মাগলা, সুলতানা খাতুন
স্ট্যান্ডবাই:
সারমিন সুলতানা, ফারজানা ইয়াসমিন, শরীফা খাতুন, ফাতেমা জাহান সোনিয়া, হাবিবা ইসলাম পিংকি

