শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

অ্যাশেজ জেতা স্মিথের কণ্ঠে বিদায়ের সুর

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

শেয়ার করুন:

অ্যাশেজ জেতা স্মিথের কণ্ঠে বিদায়ের সুর

সিডনিতে পাঁচ উইকেটের জয়ে ৪-১ ব্যবধানে অ্যাশেজ নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এই সিরিজে অস্ট্রেলিয়া নামিয়েছে ইতিহাসের অন্যতম সবচেয়ে বেশি বয়সী দল। টেস্ট ইতিহাসে মাত্র সাতবার এমন হয়েছে, যেখানে এক দলে ৩০ বছরের বেশি বয়সী ১০ জন ক্রিকেটার খেলেছেন। এই সিরিজে পার্থ ও সিডনি টেস্টে এমন দল নামিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি পাঁচটি ঘটনাই ছিল ১৯০৯ থেকে ১৯২৬ সালের মধ্যে ইংল্যান্ডের।

ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ বলেছেন, বয়স বাড়লেও ২০২৭ সালে ইংল্যান্ডে গিয়ে অ্যাশেজ জেতার লক্ষ্য ছাড়ছে না অস্ট্রেলিয়ার এই দল। সেই সঙ্গে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে বিদায়ের সুরও শোনা গেছে স্মিথের কন্ঠে। কেননা, ২০২৭ সালের অ্যাশেজ শুরু হলে স্মিথের বয়স হবে ৩৮।


বিজ্ঞাপন


সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়ার বয়সী দল নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও পারফরম্যান্সে তার জবাব দিয়েছে অজিরা। ৩৫ বছর বয়সী মিচেল স্টার্ক হয়েছেন সিরিজসেরা। ৩৬ বছরের স্কট বোল্যান্ড খেলেছেন পাঁচ টেস্টই, নিয়েছেন ২০ উইকেট। মাইকেল নেসারও তিন টেস্টে ১৫ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

দলের সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড় উসমান খাজা (৩৯) সিডনি টেস্টে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন। ইংল্যান্ডে ২০২৭ সালের অ্যাশেজ নিয়ে স্মিথ বলেন, “নিশ্চয়ই সবাই সেখানে গিয়ে অ্যাশেজ জেতার ব্যাপারে রোমাঞ্চিত। ইংল্যান্ডে আমি দুটি ড্র সিরিজ খেলেছি, কিন্তু কখনো জিততে পারিনি। সেটা করতে পারলে দারুণ হতো। আমি সেখানে থাকব কি না, সেটা ভিন্ন প্রশ্ন।” তিনি আরও বলেন, “গত চার-পাঁচ বছরে আমাদের দলটা দারুণ ছিল। আশা করি আমরা আরও উন্নতি করতে পারব।”

এই সিরিজে জশ হ্যাজেলউড পুরো সিরিজে খেলতে পারেননি, প্যাট কামিন্স খেলেছেন মাত্র একটি টেস্ট। নাথান লায়ন খেলেছেন দুই টেস্ট, অ্যাডিলেডে চোটও পান। তবু অস্ট্রেলিয়া ভিন্ন উপায়ে উইকেট তুলে নিয়েছে। চারটি জেতা টেস্টে তারা ২০ উইকেট নিতে পেরেছে, এমনকি দুই ম্যাচে কোনো স্পেশালিস্ট স্পিনার ছাড়াই। মেলবোর্নে হারার ম্যাচেও তারা ১৬ উইকেট নিয়েছিল।

স্টিভেন স্মিথের মতে, এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল উইকেটকিপার অ্যালেক্স কেরির। “ব্যাট ও গ্লাভস- দুই দিক থেকেই সে দুর্দান্ত ছিল। দ্রুতগতির বোলারদের সঙ্গে স্টাম্পের কাছে দাঁড়িয়ে যেভাবে কিপিং করেছে, সেটা অসাধারণ,” বলেন স্মিথ। স্টার্ক ও ট্রাভিস হেডের অবদানের প্রশংসা করলেও স্মিথ মনে করেন, পুরো দলই এই সিরিজে অবদান রেখেছে। অস্ট্রেলিয়া এই সিরিজে মোট ১৬ জন খেলোয়াড় ব্যবহার করেছে, যা ইংল্যান্ডের চেয়ে একজন বেশি।


বিজ্ঞাপন


“স্টার্ক ছিল দুর্দান্ত, আর যারা খেলেছে সবাই তাকে ভালোভাবে সহায়তা করেছে,” বলেন স্মিথ। “ঘরের মাঠে আমরা কন্ডিশন ভালোভাবে জানি। আমাদের স্কোয়াডে গভীরতা আছে। সুযোগ পেলেই সবাই দায়িত্ব নিচ্ছে। এই দলের অংশ হতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে।”

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর