শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

ভারতকে সতর্ক করলেন শাহিন আফ্রিদি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৩০ এএম

শেয়ার করুন:

ভারতকে সতর্ক করলেন শাহিন আফ্রিদি

ক্রিকেটের মাঠে ভারত আর পাকিস্তানের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তো আছেই, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এটা খেলার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক উত্তেজনায় মোড়া হয়ে গেছে। এশিয়া কাপ ২০২৫-এর ঘটনাগুলো নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে, আর তার প্রভাব পড়তে চলেছে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।

পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় খেলোয়াড়দের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “সীমান্তের ওপারের লোকেরা খেলোয়াড়ি মনোভাবের (স্পোর্টসম্যানশিপ) লঙ্ঘন করেছে। আমাদের কাজ ক্রিকেট খেলা, আর আমরা সেটাই করব। মাঠে আমরা উত্তর দেব।”


বিজ্ঞাপন


এই কথা বলা হয়েছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে সামনে রেখে। ম্যাচটি হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি, কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। এটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে দুই দেশের রাজনৈতিক লড়াইয়ের উত্তাপে সমস্যা শুরু এশিয়া কাপ ২০২৫ থেকে। ফাইনালে ভারত পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়, কিন্তু ট্রফি গ্রহণ করতে স্টেজে ওঠেনি। কারণ, ট্রফি তুলে দিতে ছিলেন এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নকভি, যিনি একইসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান।

এছাড়া, টুর্নামেন্টে ভারতীয় খেলোয়াড়রা পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের সাথে হ্যান্ডশেক করতে অস্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রুপ স্টেজ, সুপার ফোর থেকে শুরু করে ফাইনাল, সবখানেই এমন ঘটনা ঘটেছে। একই ধরনের ঘটনা দেখা গেছে নারী বিশ্বকাপ এবং হংকং সুপার সিক্সেও। ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লেজেন্ডস (ডব্লিউসিএল) ২০২৫-এর দ্বিতীয় সিজনে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপ স্টেজ এবং সেমিফাইনাল ম্যাচ খেলতেই অস্বীকার করে।

এসব নিয়ে সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার এই ঘটনাগুলোকে “দুঃখজনক” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “আমি এই ভারত-পাকিস্তানের ঝগড়া পছন্দ করি না। দুটো দলই ক্রিকেটের মহাশক্তি। এশিয়া কাপে ভারত জিতে ট্রফি নিতে স্টেজে না ওঠা, এটা অনেক বেশি হয়ে গেছে। ক্রিকেটে এসব থাকা উচিত নয়।”


বিজ্ঞাপন


হোল্ডার আরও বলেন, “আমরা খেলোয়াড়রা বিশ্বের রাষ্ট্রদূত। যদি বিশ্বশান্তির কথা বলি, তাহলে এমন আচরণ করলে চলবে না। আমাদের নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে হলে একসাথে আসতে হবে। ইতিহাস আছে ঠিকই, কিন্তু ক্রিকেটের মাধ্যমে আমরা পরিবর্তন আনতে পারি।”

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর