বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

বিসিবিকে সমর্থন জানিয়ে আফ্রিদি

‘আইসিসি শুধু ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল নয়’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

শেয়ার করুন:

আইসিসি শুধু ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’ নয়— বাংলাদেশের পাশে আফ্রিদি

ফেব্রুয়ারি-মার্চ ২০২৬-এ ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্ট শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে, ফাইনাল ৮ মার্চ। কিন্তু এখনই বিতর্কের মুখে পড়েছে সূচি, বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ ভারতে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়ার দাবি উঠেছে।

গ্রুপ সি-তে বাংলাদেশের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও প্রথমবারের মতো অংশ নেওয়া ইতালি। আইসিসি ঘোষিত সূচি অনুযায়ী-৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ (ইডেন গার্ডেনস, কলকাতা), ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ বনাম ইতালি (ইডেন গার্ডেনস, কলকাতা), ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ (ইডেন গার্ডেনস, কলকাতা), ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ বনাম নেপাল (ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম, মুম্বাই)। অর্থাৎ তিন ম্যাচ কলকাতায়, এক ম্যাচ মুম্বাইয়ে।


বিজ্ঞাপন


সমস্যার শুরু ৩ জানুয়ারি ২০২৬। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে ছাড়তে বাধ্য হয়। বিসিসিআই-এর নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার পিছনে দুই দেশের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। এরপরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানায়, নিরাপত্তার কারণে ভারতে খেলতে পারবে না দল। তারা চায় সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক। বিসিবি বলেছে, ‘খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ জরুরি।’

পাকিস্তানের গণমাধ্যমকে শহীদ আফ্রিদি বলেন, ‘ক্রিকেট বিশ্বের জন্য এটা খুবই লজ্জার। ভারতই শুরু করছে এবং শেষ এরাই করবে। তাছাড়া অন্যরা এনাদের সাথে চলাচল বন্ধ করে দেবে। যেমন দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা সঠিক। টাকার দাপটের চলতেছে ভারত। অন্য ক্রিকেটিং ন্যাশনের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত সঠিক। আইসিসি শুধু ‘ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল’ নয়, এটা আন্তর্জাতিক সংস্থা। তারা ভারতের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। এখন বাংলাদেশের জন্য ভেন্যু বদল করতেই হবে।” আফ্রিদি আরও যোগ করেন, রাজনীতি ক্রিকেটকে প্রভাবিত করলে খেলার চেতনা নষ্ট হয়।

যদি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরে যায় (কলম্বোর প্রেমাদাসা, এসএসসি বা পাল্লেকেলে), তাহলে গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোতে সমন্বয় করতে হবে। পাকিস্তানের ম্যাচগুলো ইতিমধ্যে শ্রীলঙ্কায় রাখা হয়েছে হাইব্রিড মডেলে। আইসিসি এখন নতুন সূচি তৈরির কথা ভাবছে। টুর্নামেন্ট মাত্র এক মাস দূরে, সমাধান না হলে বড় ধাক্কা খাবে বিশ্বকাপ।

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর