কিলিয়ান এমবাপের অনুপস্থিতিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন গনসালো গার্সিয়া। তরুণ ফরোয়ার্ডের হ্যাটট্রিকে রিয়াল বেটিসকে ৫-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। রোববার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে পাওয়া এই জয়ে লা লিগা শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার সঙ্গে ব্যবধান কমে দাঁড়াল চার পয়েন্টে।
শাবি আলোনসোর দল ১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শিরোপাধারী বার্সেলোনা আগের দিন এস্পানিওলকে হারিয়ে শীর্ষে অবস্থান ধরে রেখেছে। অন্যদিকে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে আছে বেটিস।
বিজ্ঞাপন
হাঁটুর চোটে লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা এমবাপে না থাকায় সুযোগ পান ২১ বছর বয়সী গার্সিয়া। আর সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান তিনি। গত বছরের ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে চার গোল করে নজর কাড়া এই ফরোয়ার্ড ২০ মিনিটে রদ্রিগোর নিখুঁত ক্রসে ফাঁকা পোস্টে হেড করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফেদেরিকো ভালভার্দের লং বল বুকে নামিয়ে দারুণ ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গার্সিয়া। এরপর আবারও রদ্রিগোর ক্রস থেকেই হেডে গোল করেন রাউল আসেনসিও।
৬৬ মিনিটে কুচো হার্নান্দেজ একটি গোল শোধ দেন বেটিসের হয়ে। তার ঠিক আগেই জিওভানি লো সেলসোর শট পোস্টে লেগে ফিরে এসেছিল। গোলের পর কিছুটা চাঙা দেখায় অতিথি দলকে। তবে রিয়াল গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া একের পর এক সেভ করে ম্যাচে ফেরার সব সম্ভাবনাই নষ্ট করে দেন বেটিসের। রোদ্রিগো রিকেলমে ও অ্যান্টনির শট ঠেকিয়ে দেন বেলজিয়ান তারকা।
৮২ মিনিটে আরদা গুলারের পাস থেকে দৃষ্টিনন্দন ব্যাক-হিল ফিনিশে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন গার্সিয়া। যোগ করা সময়ে ভালভার্দের ক্রস থেকে গোল করে বড় ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন ফ্রান গার্সিয়া। এটি রিয়াল মাদ্রিদের টানা তৃতীয় জয়, যা শিরোপা লড়াইয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনার ওপর চাপ বাড়িয়ে রাখল।
বিজ্ঞাপন
ম্যাচ শেষে উচ্ছ্বসিত গার্সিয়া বলেন, “এই মুহূর্তে আমি খুব খুশি। বছরের শুরুটা দারুণ হলো। তিনটি গোল- সবগুলোই বিশেষ। এ মৌসুমে আমার প্রথম গোল এবং বার্নাব্যুতে প্রথম হ্যাটট্রিক।”
এমবাপেকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি যোগ করেন, “এমবাপে এখন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। তার গোল আমাদের অনেক কিছু দেয়। কোচ ও সতীর্থরা আমার ওপর ভরসা রেখেছেন। আমি শুধু মাঠে নেমে নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি।” “রিয়াল মাদ্রিদে প্রত্যাশা অনেক বেশি। আমার সামনে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রা আছে। আমি নিজের উন্নতির দিকেই মন দিই, প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করি এবং কোচ যতটুকু সময় দেন, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করি,” বলেন গার্সিয়া।

