সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

ফের হোঁচট খেল ম্যানইউ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম

শেয়ার করুন:

ফের হোঁচট খেল ম্যানইউ

ম্যাথিউস কুনিয়ার গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে অস্বস্তিকর হার থেকে রক্ষা পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোববার এল্যান্ড রোডে উত্তপ্ত লড়াই শেষে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।

রুবেন আমোরিমের দল দ্বিতীয়ার্ধে ব্রেন্ডেন অ্যারনসনের গোলে পিছিয়ে পড়ে। তবে ব্যবধান বেশিক্ষণ থাকেনি, কিছুক্ষণের মধ্যেই সমতায় ফেরান ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড কুনিয়া।


বিজ্ঞাপন


দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার এই ম্যাচে লিডসের বিপক্ষে জয়ের খরা আরও বাড়ল ইউনাইটেডের জন্য। ২০১০ সালে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এফএ কাপ জয়ের পর থেকে টানা আট ম্যাচে ম্যানইউকে হারাতে পারল না লিডস। এই ড্রয়ের ফলে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ চারে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে ইউনাইটেডের। পাঁচ ম্যাচে মাত্র এক জয় নিয়ে তারা এখন লিগ টেবিলের পাঁচ নম্বরে।

মঙ্গলবার অবনমন–ঝুঁকিতে থাকা উলভসের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর এটিও ছিল ইউনাইটেডের জন্য হতাশাজনক ফল। অন্যদিকে ড্যানিয়েল ফার্কের লিডস টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত থেকে অবনমন অঞ্চল থেকে আট পয়েন্ট দূরে সরে গেল। চোটে থাকা অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেসকে ছাড়াই আমোরিম তার পছন্দের ৩-৪-২-১ ফরমেশনে দল সাজান। নিউক্যাসলের বিপক্ষে জয়ের পর কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন আনলেও, উলভস ম্যাচের মতোই আবার পরিচিত ছকে ফিরেছেন তিনি। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই আছেন ইউনাইটেড কোচ।

ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ট্যাকলে আধিপত্য নেওয়ার চেষ্টা করে লিডস। ২০০২ সালের পর থেকে ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে হারাতে না পারার চাপ স্পষ্ট ছিল তাদের খেলায়। তবে দর্শকদের গর্জনের মধ্যেও নিয়ন্ত্রণ নেয় সফরকারীরাই। কাসেমিরোর নিখুঁত পাস থেকে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন বেঞ্জামিন শেশকো, কিন্তু দেরি করায় পাসকাল স্ট্রুইকের ব্লকে আটকে যান তিনি। এরপর দিয়োগো দালতও বক্সের ভেতর থেকে শট আকাশে মারেন।

লিডসও সুযোগ তৈরি করে। আন্তন স্টাখের ক্রসে ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইনের হেডার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। অন্যদিকে কাসেমিরোর হেডার থেকে লেনি ইয়োরোর শট দুর্দান্ত সেভে ঠেকান লিডস গোলকিপার লুকাস পেরি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইউনাইটেড গোলরক্ষক সেনে লামেন্সকে সতর্ক থাকতে হয় গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসনের নিচু শট সামলাতে।


বিজ্ঞাপন


৬২ মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। তরুণ ডিফেন্ডার আইডেন হেভেনের অনভিজ্ঞতা কাজে লাগায় লিডস। লং বল সামলাতে ব্যর্থ হলে অ্যারনসন দ্রুত গতিতে বক্সে ঢুকে নিখুঁত ফিনিশে লিডসকে এগিয়ে দেন। গোল হজমের পরপরই জশুয়া জির্কজিকে নামান আমোরিম, আর তাতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬৫ মিনিটে জির্কজির থ্রু পাসে কুনহা ১২ গজ থেকে বল জালে পাঠিয়ে সমতা ফেরান।

এটি ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার পর কুনিয়ার শেষ পাঁচ ম্যাচে তৃতীয় গোল। উলভস থেকে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের পর ধীর শুরুর পর ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান।

শেষ দিকে নোয়া ওকাফোরের ওভারহেড কিক লামেন্স ঠেকান। অন্য প্রান্তে আবারও সুযোগ নষ্ট করেন শেশকো, জির্কজির কাটব্যাক থেকে আট গজ দূর থেকে শট বাইরে মারেন তিনি। যোগ করা সময়ে কুনিয়ার বাঁকানো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে।

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর