সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) চলমান অ্যাশেজ সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টে বড় চমক দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ১৮৮৮ সালের পর প্রথমবারের মতো এসসিজিতে কোনো বিশেষজ্ঞ স্পিনার ছাড়াই মাঠে নেমেছে তারা। নাথান লায়ন ইনজুরির কারণে আগেই ছিটকে গেছেন, আর ব্যাকআপ অফ-স্পিনার টড মার্ফিকেও দলে রাখা হয়নি। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং অ্যাটাক পুরোপুরি পেস-নির্ভর হয়ে গেছে।
অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ টসের সময় এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “বিশেষজ্ঞ স্পিনার বাদ দেওয়া খুব কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু পিচের কন্ডিশন দেখে আমরা এই পথে যেতে বাধ্য হয়েছি।” স্মিথ আরও যোগ করেন যে, পুরোনো দিনের এসসিজি পিচ ছিল স্পিন-বান্ধব প্রথমে ফ্ল্যাট, পরে ফাটল ধরে রিভার্স সুইং ও স্পিন সহায়ক হয়ে উঠত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমনটা আর দেখা যায় না। এ কারণে লায়নের জন্যও এসসিজি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে কঠিন ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দলে পরিবর্তন হিসেবে ঝাই রিচার্ডসনের জায়গায় ঢুকেছেন তাসমানিয়ার অলরাউন্ডার বো ওয়েবস্টার। এই টেস্টে অ্যাশেজ অভিষেক হচ্ছে তার। ওয়েবস্টার মিডিয়াম পেসের পাশাপাশি অফ-স্পিনও করতে পারেন, তাই প্রয়োজনে তাকে স্পিনিং অপশন হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে। এছাড়া ক্যামেরন গ্রিনকেও রাখা হয়েছে দলে, যদিও তার ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের দলে অ্যাশেজ অভিষেক হচ্ছে পেসার ম্যাথিউ পটসের। ইনজুরির কারণে জফরা আর্চার, মার্ক উড ও গাস অ্যাটকিনসন ছিটকে যাওয়ায় পটসই তাদের শেষ ভরসা। অধিনায়ক বেন স্টোকস টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নেন। তারা বিশেষজ্ঞ স্পিনার শোয়েব বশিরকে বাদ দিয়ে স্পিনিং অলরাউন্ডার উইল জ্যাকসকে রেখেছেন।
পিচ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। গ্রিন কভার থাকলেও কিউরেটর জানিয়েছেন, এটি ব্যাটিং-বান্ধব হবে এবং ম্যাচ পাঁচ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে ৩-১ ব্যবধানে, তবে ইংল্যান্ড মেলবোর্নে জয় তুলে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

