বিপিএলের আসন্ন নিলামে আকস্মিকভাবে নাম বাদ পড়েছে জাতীয় দলের অভিজ্ঞ পেসার শফিউল ইসলামের। এনামুল হক বিজয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সঙ্গে তিনিও ফিক্সিং সন্দেহে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন।
শফিউল অভিযোগ করেন, তাকে আগে থেকে কোনো নোটিশ বা কথা না বলেই সন্দেহভাজনের তালিকায় রাখা হয়েছে। এতে তিনি বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।
বিজ্ঞাপন
ফিক্সিং সন্দেহ নিয়ে শফিউল বলেন, ‘আমার সঙ্গে কেউ কোনো কথাই বলেনি। সত্যি বলতে, ক্রিকেট খেলার আর ইচ্ছেই নেই, এমন নোংরা জায়গায় খেলার ইচ্ছেও মরে গেছে। অনেক কিছু দেখলাম, তাই নিজেকে আস্তে আস্তে গুটিয়ে নিচ্ছি। আমাদের দেশে আসলে কথা বলে লাভ নেই। আসল যারা বড় বোয়াল, তাদের ধরে না; সবাই ব্যস্ত থাকে আমাদের মতো ছোট পুঁটি মাছদের নিয়ে।’
অভিযোগের প্রমান দেখানোর কথা বলে তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি অভিযুক্ত হই, তবে আমাকে প্রমাণ দেখান। দেশের হয়ে অনেক খেলেছি, অনেক কিছু দিয়েছি। বিনিময়ে অনেক কষ্ট সহ্য করেছি, এখনও করছি। এসব দেখে এখন মন উঠে গেছে।’
শফিউল দাবি করেন, ‘বিনা প্রমাণে এভাবে অভিযুক্ত করলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। এতদিন ক্রিকেট খেলেছি, মান-সম্মানের একটা বিষয় আছে। যদি সঠিক প্রমাণ দেখাতে পারে, তবে আমি যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। আমি যদি দোষ করে থাকি, শাস্তি অবশ্যই পাব। কিন্তু কেবল একটা সিজন খারাপ গেছে বলেই সন্দেহের তালিকায় ফেলে দেওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না।’
বিসিবি এখনো খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়ার নির্দিষ্ট কারণ জানায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগের আসরের কিছু বিতর্কিত পারফরম্যান্স নিয়ে তদন্তের কারণেই কয়েকজনকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা বিপিএলের স্বচ্ছতা ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

