বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫, ঢাকা

মাঠে তামিমের কী হয়েছিল, বিস্তারিত জানানো হলো তার পেজ থেকে

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০২৫, ০২:৩৫ পিএম

শেয়ার করুন:

মাঠে তামিমের কী হয়েছিল, জানা গেল

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ খেলতে নেমে আজ হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পরেন তামিম ইকবাল। শাইনপুকুরের বিপক্ষে মোহামেডানের এই ম্যাচে তামিম টসেও উপস্থিত ছিলেন। তবে বুকে ব্যাথা অনুভব করায় তাঁকে নেওয়া হয় নিকটস্থ এক হাসপাতালে। পরে জানা যায় হার্ট অ্যাটাক করেছেন তিনি। 

জানা যায়, প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি না হলে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয় তামিমকে। পরে তাকে ফজিলাতুন্নেছা হাসপাতালে (বর্তমান নাম কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ) নেওয়া হয়। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয় এমন খবরও জানা যায়। 


বিজ্ঞাপন


জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চলমান আসরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহামেডানকে। যথারীতি ২৪ মার্চের ম্যাচেও তিনিই ছিলেন অধিনায়ক। তবে শাইনপুকুরের ইনিংস চলাকালে তামিম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করতে থাকেন। দ্রুত তাকে সেবাশুশ্রূষা দিতে এগিয়ে আসে মেডিকেল টিম। বুকে ব্যথার কথা জানালে তৎক্ষণাৎ হেলিকপ্টার উড়িয়ে আনা হয় মাঠে।

কিন্তু তামিমের অবস্থা বেশি খারাপ থাকায় তাকে হেলিকপ্টারে ওঠানো যায়নি। জানা গেছে,  এনজিওগ্রাম পরীক্ষার মাধ্যমে তামিমের হার্টে দুটি ব্লক খুঁজে পায় ডাক্তাররা। তৎক্ষণাৎ তাকে একটি রিং পরানো হয়েছে। এরপর কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে তামিমকে পর্যবেক্ষণে রাখে চিকিৎসকরা। অবস্থার খানিকটা উন্নতি হলে ঢাকায় নিয়ে আসা হতে পারে বাঁহাতি এই ওপেনারকে।

Posted by Facebook on Date:

এদিকে তামিমের আসলে কি হয়েছিল তা এক পোস্টের মাধ্যমে তামিমের ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে। অ্যাডমিনের দেওয়া সেই পোস্টে বলা হয়েছে, সকালে টসের পর হালকা বুকে ব্যথা অনুভব করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বিষয়টি দ্রুত দলের ফিজিও ও ট্রেইনারকে জানান। প্রাথমিকভাবে গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা মনে হওয়ায় তিনি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ গ্রহণ করেন। তবে কিছুক্ষণ পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সতর্কতার অংশ হিসেবে নিকটতম হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসা শেষে তিনি বিকেএসপিতে ফিরে আসেন।


বিজ্ঞাপন


পোস্টে আরও বলা হয়, এরপর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হয়। দলের (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব) ম্যানেজার শিপন ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়, যাতে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা সম্ভব হয়। তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়লে তাকে ফের নিকটতম কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে নেওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে।

পরে তার হার্টে রিং পরানো হয়েছে জানিয়ে পোস্টে বলা হয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত এনজিওগ্রাম করা হয় এবং রিং পরানো হয়। বর্তমানে তিনি কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটে (CCU) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তার সুস্থতার জন্য সবার দোয়া কামনা করা হচ্ছে, যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন।

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর