লা লিগায় নিজেদের সবশেষ ৫ ম্যাচে কেবল ৫ পয়েন্ট পেয়েছে বার্সেলোনা। মৌসুমের শুরুতে যেভাবে উড়ছিল কাতালানরা, সে ধার যেন কিছুটা কমে এসেছিল। লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচেও জয় পায়নি দলটি। তবে লিগে না জিতলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে এসে ফের জ্বলে ওঠেছে বার্সা। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে তুমুল আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের ম্যাচে ফেরান তোরেসের জোড়া গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
ঘরের মাঠে বার্সেলোনার বিপক্ষে এই ম্যাচে সমানে সমানই লড়েছে ডর্টমুন্ড। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে শুরু থেকেই ম্যাচটি উত্তাপ ছড়িয়েছে। তবে দুই দলইএ গোলের লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে লড়াই করলেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
প্রথমার্ধের ১৪ মিনিটে গোল করার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। তবে লামিওনে উয়ায়মালের দেয়া পাস কাজে লাগিয়ে গোল করতে পারেননি রাফিনিয়া। এরপর কিছুক্ষণ পর সুযোগ পেয়েছিল ডর্টমুন্ডও। তবে মার্সেল সাবিৎজারও গোল করতে পারেননি।
প্রথমার্ধে দুই দলই বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। এদিকে প্রথমার্ধে গোল না হলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোলের দেখা পায় বার্সেলোনা। দানি ওলমোর থ্রু বল ধরে বক্সের ভেতর থেকে নেয়া দারুণ এক শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন রাফিনিয়া।
এদিকে বার্সা লিড পাওয়ার পর স্বাগতিকদেরও গোল পেতে খুব বেশি সময় লাগেনি। কিছুক্ষণ পর নিজেদের বক্সে প্রতিপক্ষের ফুটবলারকে বার্সেলোনার পাউ কুবারসি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ায় পেনাল্টি পায় ডর্তমুন্ড। আর স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান গুরাসি নিজেই।
এদিকে ম্যাচে সমতা ফিরলেও শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন তোরেস। লেভানদোভস্কি, রাফিনিয়া ও ওলমোর বদলে তোরেস, ফ্রেংকি ডি ইয়ং ও ফের্মিন লোপেসকে নামান বার্সেলোনা কোচ। আর বদলি নেমেই গোলের দেখা পান তোরেস। ৭৫ মিনিটে গোল করে দলকে আবার এগিয়ে দেন তোরেস। এদিকে বার্সা গোল পাওয়ার পর ৭৮ মিনিটে গোল করেন ডর্টমুন্ডের গুরাসি।
তবে কিছুক্ষণ পরেই নিজের দ্বিতীয় গোলটি করন তিনি। শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ডর্টমুন্ড। এদিকে ৩-২ গোলের দারুণ এই জয়ে। ৬ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ১৫, কাতালান ক্লাবটি অবস্থান করছে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে, ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে লিভারপুল।




