টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আগামী ৪ জুন থেকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হবে এবারের খেলা। ২০২৪ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘ডি’ গ্রুপে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে টাইগারদের প্রতিপক্ষ হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা, নেদারল্যান্ডস ও নেপাল। বাকি তিন গ্রুপের তুলনায় ‘ডি’ গ্রুপের লড়াই হবে কঠিন।
আইসিসির পূর্ণ সদস্য দুই দল দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি সহযোগী সদস্য নেদারল্যান্ডসও টি-টোয়েন্টিতে বেশ শক্তিশালী দল। তাই গ্রুপ পর্বেই বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য। তবে টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান শুনালেন প্রত্যাশার আলো। আজ বসুন্ধরায় স্পোর্টস কমপ্লেক্সে রংপুর রাইডার্সের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন সাকিব। সেখানে অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন।
এই ব্যাপারে সাকিব বলেন, ‘প্রতিবারই তো বিশ্বকাপকে ঘিরে বেশি প্রত্যাশা থাকে। এবারও তাই থাকবে। গত এক বছর আমরা যেহেতু টি-টোয়েন্টি ভালো খেলছি। দলও ভারসাম্যপূর্ণ আছে। ফর্মেও আছে। নিউজিল্যান্ডেও সবাই ভালো খেলেছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা বেশি থাকবেই। খেলা হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং যুক্তরাষ্ট্রে যেখানে আমাদের ক্রিকেটটা মানাবে বেশি। ফলে আমাদের সুযোগ আছে ভালো কিছু করার।’
এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন প্রথমবারের মতো। এর পরই তিনি মাঠে নেমে পড়েছেন, লক্ষ্য আসন্ন বিপিএল আসরের আগে নিজেকে প্রস্তুত রাখা। তবে এত দ্রুত কেন মাঠে নেমে পড়লেন সাকিব, সেই আলোচনাও উঠেছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘বিপিএল শুরু হচ্ছে প্রস্তুতি লাগবে, প্রায় আড়াই মাসের মতো মাঠের বাইরে কোনো ফিটনেসের কাজ করিনি, স্কিলের কাজ করতে পারিনি। তাই স্বাভাবিকভাবে রেডি হওয়ার জন্য তো সময় লাগবে। সে কারণেই সময় নষ্ট করতে চাইনি।’
তবে এখনই অনুশীলন শুরু করলেও, পুরো ফিটনেস ফিরে পেতে কিছুদিন সময় লাগবে বলেও জানান সাকিব, ‘ইনজুরিতে ছিলাম, তাই মিস করার চান্স ছিল না। মানে আমি ফিট থাকলেও তো খেলতে পারতাম না। সুতরাং ইনজুরিতে যেহেতু ছিলাম, মিস করার সুযোগ আসেনি। অনুশীলন শুরু করেছি, আরও কিছুদিন সময় লাগবে। ইনজুরিও ছিল আঙুলে, সময় তো লাগবে বোলিংয়ে স্বাভাবিক হতে। বাট উন্নতি হচ্ছে।’




