রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ঢাকা

৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পর এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ জুন ২০২৬, ০৭:০৪ পিএম

শেয়ার করুন:

৫ লাখ বৃক্ষরোপণের পর এবার ২ লাখ ফলদ চারা রোপণ করবে আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশন

পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারাদেশে ২ লাখ ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ ও রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, এর আগে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ৫ লক্ষাধিক বৃক্ষরোপণ করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর আরও ২ লাখ ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


তিন ধাপে বিতরণ হবে চারা

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, মোট ২ লাখ চারার মধ্যে-

  • ১ হাজার ফলদ বাগান তৈরির জন্য বিতরণ করা হবে ১ লাখ চারা;
  • বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে দেওয়া হবে ৫০ হাজার চারা;
  • সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে আরও ৫০ হাজার চারা।

বিতরণকৃত চারার মধ্যে থাকবে আম, লিচু, লেবু ও পেয়ারার মতো ফলদ গাছ।


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন: ‘আসুন, সন্তানকে শিক্ষিত বানানোর আগে মানুষ বানাই’

পরিবেশ ও স্বাবলম্বিতার সমন্বিত উদ্যোগ

আহমাদুল্লাহ বলেন, শহরে বসবাসকারী অনেক মানুষের পক্ষে ইচ্ছা থাকলেও নিজস্ব ফলের বাগান করা সম্ভব হয় না। তারা চাইলে সামান্য অর্থের মাধ্যমে গ্রামে বসবাসরত কোনো দরিদ্র বৃক্ষপ্রেমীকে ফলের চারা বা একটি বাগান উপহার দিতে পারেন।

তার ভাষ্য, এ উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষায় অবদান রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে দরিদ্র পরিবারগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহায়তার পথও তৈরি হবে। পাশাপাশি এটি সাদাকায়ে জারিয়ার একটি উত্তম মাধ্যম হতে পারে।

আরও পড়ুন: আস-সুন্নাহর রেকর্ড ১৬৬৫ কোরবানি, উপকৃত ৫৩ হাজার পরিবার

যেভাবে অংশ নেওয়া যাবে

প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত অনুদানের পরিমাণ-

  • ১টি চারা: ৭৫ টাকা
  • ২০টি চারা: ১,৫০০ টাকা
  • ১০০টি চারার একটি বাগান: ৭,৫০০ টাকা
  • এ ছাড়া যেকোনো পরিমাণ অর্থ অনুদান দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

বিস্তারিত তথ্য ও অনুদানের জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করা যাবে।

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়

ফাউন্ডেশনের মতে, বৃক্ষরোপণ কেবল পরিবেশ রক্ষার কাজ নয়; এটি খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিরও একটি কার্যকর উপায়। এ লক্ষ্যেই সারাদেশে ব্যাপক পরিসরে ফলদ বৃক্ষরোপণের এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

তথ্যসূত্র: আহমাদুল্লাহর ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্ট

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর