প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে শরিয়াহ উইং চালুর ঘোষণা দেওয়ায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি মনে করেন, এই উদ্যোগের ফলে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণের পথ কিছুটা হলেও সুগম হবে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিজ্ঞাপন
শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার দাবি তুলেছিলাম আমরা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বিষয়টি বাস্তবায়নের চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছিলেন। আমরা আনন্দিত যে, তিনি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন এবং এক মাসের মধ্যেই প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে শরিয়াহ উইং চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’
আরও পড়ুন: শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শে প্রবাসীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ চালু করছে সরকার
আসিফ নজরুলের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও শায়খ আহমাদুল্লাহ প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ সুদ বা মুনাফামুক্ত ঋণের দাবিটি পুনরায় মনে করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘অবশ্য আমরা প্রথমে শরিয়াহ উইং চালুর দাবি করলেও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রবাসীদের অনুষ্ঠান থেকে সর্বশেষ দাবি ছিল- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ সুদ বা মুনাফামুক্ত ঋণ কার্যক্রম চালু করার।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শরিয়াহ উইং চালু হওয়া একটি প্রাথমিক ধাপ এবং পরবর্তী ধাপে সরকার প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ মুনাফামুক্ত ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিজ্ঞাপন
আপাতত সরকারের ঘোষিত ‘শরিয়াহ উইং’ খোলার সিদ্ধান্তটি দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘোষণাটি যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়, সংশ্লিষ্টদের প্রতি সেই অনুরোধ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য, এর আগে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছিলেন যে, শায়খ আহমাদুল্লাহর পরামর্শে ও অনুপ্রেরণায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে চলতি মাসেই শরিয়াহভিত্তিক ঋণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। উপদেষ্টার সেই ঘোষণার পরই শায়খ আহমাদুল্লাহ এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও পরবর্তী প্রত্যাশার কথা জানালেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শায়খ আহমাদুল্লাহর এই স্ট্যাটাসটিও ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। প্রবাসীরা আশা করছেন, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে বিদেশ গমনাগমন বা দেশে ফিরে কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে ধর্মীয় বাধা দূর হবে এবং তারা উপকৃত হবেন।

