মহান আল্লাহর নিরাপত্তা অনেক বড় পুরস্কার। কারণ যে ব্যক্তি আল্লাহর জিম্মায় বা নিরাপত্তায় থাকে; তার কোনো ভয় নেই; চিন্তাও নেই। হাদিস থেকে জানা যায়, কিছু সৌভাগ্যবান ব্যক্তি মহান আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করেন। নিচে তাদের পরিচয় তুলে ধরা হলো।
১. ফজরের নামাজ আদায়কারী
প্রিয়নবী (স.) হাদিসে বলেছেন— ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো...।’ (মুসলিম: ১৩৭৯)
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: ফজর নামাজের ১০ পুরস্কার
২. ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া পাঠকারী
ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এই দোয়া পড়লে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ হয়— بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ وَ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ উচ্চারণ: ‘বিসমিল্লাহি, তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি); আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো উপায় নেই; আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তিও নেই।’ রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়াটি পড়ে, তাকে বলা হয় (আল্লাহ তাআলাই) তোমার জন্য যথেষ্ট, তুমি হেফাজত অবলম্বন করেছ (অনিষ্ট থেকে)। তাতে শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়। (তিরমিজি: ৩৪২৬)
আরও পড়ুন: ১০টি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া
৩. যে ব্যক্তি সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে ৪. যে ব্যক্তি মসজিদের উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়ে ৫. যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে লড়াই করতে বের হয়
হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, তিন ধরনের লোক, যারা প্রত্যেকেই সম্পূর্ণরূপে মহান আল্লাহর দায়িত্বে থাকে। সে বেঁচে থাকলে আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট এবং মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এক. যে ব্যক্তি নিজের ঘরে সালাম দিয়ে প্রবেশ করে, তার জন্য মহামহিম আল্লাহ জামিন হন। দুই. যে ব্যক্তি মসজিদে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়, তার জন্য আল্লাহ জামিন হন। তিন. যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে সংগ্রামে রওনা হলো, তার জন্যও আল্লাহ জামিন হন। (আল-আদাবুল মুফরাদ: ১১০৪)
বিজ্ঞাপন
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে উল্লেখিত আমলগুলোর মাধ্যমে তাঁর নিরাপত্তা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

