রোববার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

আস-সুন্নাহর নাসীহা প্রোগ্রামে আলোর দিশা পেল শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১ জুন ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম

শেয়ার করুন:

আস-সুন্নাহর নাসীহা প্রোগ্রামে আলোর দিশা পেল শিক্ষার্থীরা
ছবি: সংগৃহীত

এবার যারা এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা দিয়েছে তাদের চারিত্রিক উৎকর্ষ ও সুসংহত ক্যারিয়ারের জন্য ‘নাসীহা প্রোগ্রাম’ নামে ব্যতিক্রমী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বরেণ্য আলেম ও সমাজসেবক শায়খ আহমাদুল্লাহ প্রতিষ্ঠিত আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। শুক্রবার (৩১ মে) বিকেলে রাজধানীর বাড্ডা সাতারকুল স্বদেশ প্রপার্টিস সানভ্যালি আবাসনে অবস্থিত মাদরাসাতুস সুন্নাহর মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেওয়া কয়েকশ শিক্ষার্থী আগামী দিনের চলার জন্য আলোর দিশা পেয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ডিপ্রেশন ও খারাপ আসক্তি থেকে পরিত্রাণসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন শায়খ আহমাদুল্লাহ, আলোকিত জ্ঞানীর মুফতি সাইফুল ইসলাম, রকমারির মাহমুদুল হাসান সোহাগ, আলোচক মাওলানা আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, কলরব শিল্পী মুহাম্মদ বদরুজ্জামান, ক্বারী সাইদুল ইসলাম আসাদসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব।


বিজ্ঞাপন


Assunnah2

শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন- শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন উপস্থিতিতে সম্পন্ন হলো এসএসসি ও দাখিল উত্তীর্ণদের নাসীহা প্রোগ্রাম। কলেজের নতুন পরিবেশে গিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন শেকড়চ্যুত না হয়, সে জন্যই মূলত আমাদের এই আয়োজন।

তিনি লিখেন- এই নাসীহা প্রোগ্রামে বিশেষজ্ঞগণ যে সকল বিষয়ের ওপর আলোচনা করেছেন, তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো: মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি : ইসলাম ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের আলোকে নির্দেশনা, ইন্টারনেট আসক্তি ও অবৈধ সম্পর্ক থেকে আত্মরক্ষার উপায়, হতাশা ও আত্মহত্যা থেকে সুরক্ষার ‍উপায়, তারুণ্য বিধ্বংসী মাদকের ভয়াবহতা, উদ্যোক্তা হিসেবে বেড়ে উঠতে করণীয় ইত্যাদি।

আরও পড়ুন

রেজাল্টের পর আত্মহত্যা, যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

জামাতে নামাজ পড়ে শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছ থেকে উপহার পেল ৩৮ কিশোর

হারাম রিলেশনকে ‘না’ বলুন: শায়খ আহমাদুল্লাহ

তিনি বলেন, আমাদের অনুষ্ঠানকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের যে উচ্ছ্বাস আমরা দেখেছি, তা বারবার এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে।

Assunnah4

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, স্কুলজীবনে আমাদের সন্তানেরা বাবা-মার চেনা গণ্ডির মধ্যে থাকে। কিন্তু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর তারা ধীরে ধীরে বাবা-মায়ের বৃত্ত থেকে বের হতে থাকে। এ সময় তাদের জীবনে আসতে শুরু করে তীব্র উত্তেজক, নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। এ সময় তাদেরকে যদি সঠিক পথে পরিচালিত করা না যায়, যদি তারা একবার পথহারা হয়ে যায়, তবে সেই নষ্ট গলি থেকে ফিরে আসা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে যায়। তাই এই সময়টাতে সন্তানের যত্ন নেওয়া, তাকে সময় দেওয়া, তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা বাবা-মা হিসেবে আমাদের গুরুদায়িত্ব।

জেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর