‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) লেবাননের বৈরুতে অবস্থিত দূতাবাস প্রাঙ্গণে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করা হয়।
সকালে মিশন উপপ্রধান ও চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স এ.আই. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খাঁন দূতাবাস প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করেন।
পতাকা উত্তোলন শেষে দূতাবাসের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়। এরপর দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বিশেষ বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। বাণী পাঠ শেষে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) কর্তৃক প্রেরিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পটভূমি ও তাৎপর্যনির্ভর একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা পর্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর জীবন, আদর্শ ও দর্শনের নানা দিক তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন প্রথম সচিব (শ্রম) দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন।
মিশন উপপ্রধান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি বিশ্লেষণ করেন। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে এক অনন্য অনুপ্রেরণা। এই ঐতিহাসিক দিনটি আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র রক্ষা ও সার্বভৌমত্বের চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে লেবাননে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের আপ্যায়নের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
প্রতিনিধি/এলএ




