আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটি ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সদস্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এ টি এম হায়দার খানের প্রথম উপন্যাস ‘দ্য সাইলেন্স বিটউইন টু হার্টবিটস’ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত হয়েছে।
বইটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান বই বিক্রয় প্রতিষ্ঠান বার্নস অ্যান্ড নোবল এবং অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।
নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার সন্তান এ টি এম হায়দার খান দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টে কর্মরত। উচ্চশিক্ষা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়া হায়দার খানের সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ তার লেখালেখির পথ তৈরি করে। আগের বিভিন্ন লেখা দেশ-বিদেশের সংবাদপত্র ও সাময়িকীতেও প্রকাশিত হয়েছে।
হায়দার খান লন্ডনের গ্রিনউইচ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি এবং কেমব্রিজের অ্যাংলিয়া রাসকিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সনদ অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের মালভার্নে বসবাস করছেন।
‘দ্য সাইলেন্স বিটউইন টু হার্টবিটস’ সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা একটি আত্মজৈবনিক উপন্যাস। বইটির কাহিনির সূত্রপাত ২০২৩ সালের শেষ গ্রীষ্মে, যখন এক বাবার জীবনে আকস্মিক এক ঘটনার পর গভীর পরিবর্তন আসে। হাসপাতালের করিডোর, নির্ঘুম রাত ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে সেখানে উঠে এসেছে এক বাবার চোখে তার মেয়ের সাহসিকতা এবং প্রতিকূলতার মধ্যেও আশার গল্প।
বইটিতে বাস্তব অভিজ্ঞতার পাশাপাশি রূপকথার একটি জগতও তৈরি করা হয়েছে। প্রাচীন পেঁচাদের রাজ্য, মায়াবী দুর্গ এবং এক নির্ভীক ‘ছোট্ট সিংহিনী’র কাহিনির মাধ্যমে লেখক কঠিন কিছু আবেগ ও অভিজ্ঞতাকে রূপকের সাহায্যে তুলে ধরেছেন।
দুই ভাগে বিভক্ত বইটিতে গদ্য ও রূপকথার মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়েছে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি মূলত একজন বাবার পক্ষ থেকে তার মেয়ের সাহসিকতা এবং তাদের অটুট সম্পর্কের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য।
বইটির ভূমিকায় বলা হয়েছে, গল্পটির সূচনা হয়েছিল ‘দুই হৃৎস্পন্দনের মাঝের নীরবতায়’, যেখানে একটি মুহূর্তের পরিবর্তন একজন বাবার কাছে পুরো জীবনকে নতুন অর্থ দেয়।
এ টি এম হায়দার খান নিজেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান হিসেবে পরিচয় দেন। প্রবাসে থেকেও নিজের শিকড় ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়ার এই যাত্রাকে তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন।
‘দ্য সাইলেন্স বিটউইন টু হার্টবিটস’ বর্তমানে বার্নস অ্যান্ড নোবল ও অ্যামাজনের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।
বইটি কিনতে ভিজিট করুণ- বার্নস অ্যান্ড নোবল এবং অ্যামাজনের ওয়েবসাইট।
এআরএম




