ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীমের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
সম্প্রতি বিএফআইইউ থেকে ব্যাংকগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।
চরমোনাইয়ের সমর্থকদের কাছে তিনি শায়খে চরমোনাই নামে পরিচিত। তার পিতা মরহুম মাওলানা সৈয়দ মো. ফজলুল করিম চরমোনাই দরবারের পীর ছিলেন। পরবর্তী সময়ে মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম পীর নির্বাচিত হয়েছেন, যিনি এখন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির।
চিঠিতে অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়ার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ বক্তব্যও দিতে চাননি।
তবে বলা হয়েছে, চিঠি পাওয়ার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে অ্যাকাউন্টে লেনদেনসহ যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে।
একজন তুখোড় বক্তা হিসেবে চরমোনাইয়ের সমর্থকদের কাছে ফয়জুল করীমের বেশ জনপ্রিয়তা আছে। বিভিন্ন সময় সরকারের সমালোচনা করেও তিনি বক্তব্য রেখেছেন। ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীন ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে ফয়জুল করীমের দেওয়া এক বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়েছিল, যা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) বর্তমানে তদন্তাধীন।
জানা গেছে, চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকে ফয়জুল করীমের নামে অ্যাকাউন্ট থাকলে তা জানাতে হবে। অ্যাকাউন্টে শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী, জমা স্থিতিসহ বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে। কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে থাকলে সে তথ্যও জানাতে হবে।
সাধারণত কারও বিরুদ্ধে অর্থপাচার, মানিলন্ডারিংসহ কোনো অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে তার ব্যাংক হিসাব তলব করে বিএফআইইউ। আবার অনেক সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা অন্য সরকারি সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেও তথ্য চাওয়া হয়।
বিইউ/জেবি




