সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৪, ঢাকা

হাতে-মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে সমাবেশে তাবিথ আউয়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:১০ পিএম

শেয়ার করুন:

হাতে-মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে সমাবেশে তাবিথ আউয়াল

হাতে ও মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে সমাবেশে যোগ দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। তাকে দেখে স্লোগানে ফেটে পড়েন সমাবেশের নেতাকর্মী।

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর গাউসুল আজম জামেমসজিদ সংলগ্ন ময়দানে বিএনপির এ সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বেলা তিনটায় সমাবেশ শুরু হয়। সাড়ে ৩ টার দিকে সমাবেশে আসেন তাবিথ আউয়াল। তখন তার হাতে ও মাথায় ব্যান্ডেজ দেখা যায়। পাশাপাশি তাকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতেও দেখা যায়।


বিজ্ঞাপন


এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যার পর বনানীতে আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হন তাবিথ আউয়াল। হাতে ও মাথায় ব্যান্ডেজ নিয়ে সমাবেশে অংশ নেন তিনি।

সমাবেশে তাবিথ আউয়াল বলেছেন, এখন আর কারও কাছে বিচার চাইব না, বিচার চেয়ে লাভ নেই। বিচার করবে দেশের জনগণ। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে। আমরা রাজপথে ফয়সালা করে ঘরে ফিরব।

তিনি বলেন, আমাদের যতই মাথা ফাঁটুক, হাত ভাঙ্গুক বিএনপির প্রতিটি কর্মী মাঠে আছে, থাকবে। যতক্ষণ না এই সরকারকে সরিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলব ততক্ষণ আমরা কেউ যুদ্ধের ময়দান থেকে সরবো না। কোনো কিছু অর্জন করতে হলে ত্যাগ করতে হয়। ত্যাগ ছাড়া কোনো কিছু অর্জন করা যায় না। আমি ত্যাগ- বিসর্জন করতে রাজি আছি। 

তিনি বলেন, আমরা সবাই প্রস্তুত আছি। আমি যুদ্ধের মাঠে আপনাদের সঙ্গে আছি। এ কথা আপনাদের বলতেই আজ এখানে এসেছি। আহত করে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না।


বিজ্ঞাপন


বিএনপির উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব আমিনুল হকের পরিচালনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, কামরুজ্জামান রতন, সরাফত আলী সপু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সুলতানা আহমেদ, ছাত্রদলের সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের ১৬ স্থানে টানা সমাবেশ করছে বিএনপি। ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৭টি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটে।জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, লোডশেডিং, গণ-পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি, পুলিশের গুলিতে নারায়ণগঞ্জে যুবদলের শাওন এবং ভোলায় ছাত্রদল নেতা নুরে আলম ও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা আব্দুর রহিমের হত্যার প্রতিবাদে এ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

এমই/একেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর