সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ঢাকা

যেখানে চাঁদাবাজি, সেখানেই লাঠি হাতে লড়াই: হুঁশিয়ারি জামায়াতের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম

শেয়ার করুন:

যেখানে চাঁদাবাজি, সেখানেই লাঠি হাতে লড়াই: হুঁশিয়ারি জামায়াতের

যেখানে চাঁদাবাজি হবে, সেখানেই বাঁশের লাঠি হাতে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম। 

তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাসীন একটি দল আন্তর্জাতিক চাঁদাবাজ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। সরকার সার, বিদ্যুৎ ও জনগণের সমস্যা সমাধানেও ব্যর্থ হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত বন্ধ এবং মাদকমুক্ত নিরাপদ ঢাকা-১২ আসন গড়ার দাবিতে রাজধানীর বাংলামোটরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। 

ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘ঢাকা-১২ আসনের যেখানেই চাঁদাবাজি চলবে, সেখানেই বাঁশের লাঠি দিয়ে লড়াই হবে। এই কর্মসূচি সারা বাংলাদেশে চলবে। কারণ এই সরকার ব্যর্থ হয়েছে।’

রাড্ডার স্বাস্থ্য ক্লিনিক ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘তাদের এমপিরাই আজ রাড্ডার স্বাস্থ্য ক্লিনিক ভাঙচুর করেছে। তাদের পদত্যাগ করিয়ে চুপ থাকলেই হবে না, আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।’

মিরপুরের রাড্ডার ঘটনা আড়াল করতেই মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘আমাদের এই বিক্ষোভ সমাবেশ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে। আমরা আর কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেব না।’ 

তিনি প্রশাসনের প্রতি অনতিবিলম্বে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানান তিনি।

সাইফুল আলম খান বলেন, ‘আজ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা গ্রেফতার হয় না, বরং মেজর আখতারুজ্জামানের মতো নিরপরাধ ব্যক্তিরা গ্রেফতার হচ্ছেন। আমাদের এই আন্দোলনকে থামানো যাবে না।’

বাংলামোটরে কয়েকজনকে হত্যার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘যাদেরকে মারা হয়েছে তারা কোনো দল করে না। তাহলে তাদের কেন মারা হলো, আমরা তা জানতে চাই।’

বাংলাদেশকে চাঁদাবাজমুক্ত না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে চাঁদাবাজমুক্ত করেই ছাড়ব, ইনশাআল্লাহ।’

সোমবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাংলামোটর মোড়ে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিলটি মগবাজার চৌরাস্তায় গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, ইউসুফ আলী মোল্লা, নুরুল ইসলাম আকন্দ, কলিম উল্লাহ, আহসান উল্লাহ ও আবু সাঈদ মন্ডলসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

টিএই/এএইচ

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর