রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থী কে হবেন, আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনো ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দলের ভেতরে ও স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা চলছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আরও কয়েক দফা বৈঠক হবে।’
নূরুল ইসলাম বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই আমরা যোগ্য প্রার্থীর নাম যথাসময়ে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরব। বিএনপি সব সময় যোগ্য এবং সর্বজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করে।
সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আর সেই শূন্যতায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। সংসদ সদস্যের গোপন ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে।
এ ভোটে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আইন ও সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
নুরুল ইসলাম মনি জানান, গণমাধ্যমের উপস্থিতিতে সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদের স্পিকারের ভোটগ্রহণের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল না আসা পর্যন্ত সবার উপস্থিতিতে গণমাধ্যমে লাইভ টেলিকাস্ট করা হবে।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ইসিকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের তারিখ ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৮ আগস্ট। আর ভোট গ্রহণ ২০ আগস্ট। সেদিন সংসদ অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ভোট চলবে।
এমআর




