সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

একবছরে বিএনপির ব্যয় বেড়েছে তিনগুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম

শেয়ার করুন:

একবছরে বিএনপির ব্যয় বেড়েছে তিনগুণ
২০২৪ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে বিএনপির ব্যয় বেড়েছ তিনগুণ। ছবি: এআই দিয়ে তৈরি

২০২৪ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে বিএনপির ব্যয় বেড়েছ তিনগুণ। এক্ষেত্রে ২০২৪ সালে বিএনপি ব্যয় করেছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২৩ টাকা আর ২০২৫ সালে ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা যা ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় তিনগুণ।

রোববার (১৯ জুলাই) ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দলীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল। পরে সাংবাদিকদের এ-সংক্রান্ত তথ্য জানান প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রারম্ভিক স্থিতি ২১ কোটি ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩৫ টাকা। গত বছর আমাদের আয় হয়েছে ২২ কোটি ১৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৮২ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ২৬ লাখ ১০ হাজার ৮৫৭ টাকা। এখানে আমাদের উদ্বৃত্ত রয়েছে ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫৪ হাজার ৩২৫ টাকা। ব্যাংকে মোট গচ্ছিত রয়েছে ২৮ কোটি ৪ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ টাকা। এছাড়া হাতে নগদ রয়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৭০০ টাকা। সর্বমোট আছে ২৮ কোটি ৭ লাখ ৩৬০ টাকা রয়েছে।’

সব প্রক্রিয়া অবলম্বন করে হিসাব জমা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা গণতান্ত্রিক রাজনীতির ক্ষেত্রে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার জায়গা আরও পরিষ্কার, সমুন্নত করা। দলীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এটি করা হয়েছে। আমরা মনে করি, গণতান্ত্রিক দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়া। জনগণের ভোটে নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের পরিচালনা, আয়ের উৎস এবং ব্যয় কি হয়েছে, তা জনগণকে জানানো উচিত।’

জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিএনপির মোট আয় ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪২ টাকা। একই সময়ে দলটির ব্যয় ৪ কোটি ৮০ লাখ ৪ হাজার ৮২৩ টাকা।

২০২৩ সালে বিএনপির আয় হয়েছিল ১ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার ১৫১ টাকা। ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি ৬৫ লাখ ২৩ হাজার ৯৭০ টাকা।

আয়ের উৎসের বিষয়ে বিএনপির কোষাধ্যক্ষ এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘এটা নির্বাহী কমিটির চাঁদা, বই-পুস্তক বিক্রয়, প্রাথমিক সদস্য ফরম বিক্রয়, মনোনয়ন ফরম বিক্রয়, বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান এবং ব্যাংক থেকে অর্জিত সুদসহ এ আয় হয়েছে।’

ব্যয়ের খাতের বিষয়ে এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘ব্যক্তিতে আর্থিক অনুদান, বিভিন্ন বন্যা কবলিত জেলায় ত্রাণ বিতরণ, পোস্টার-লিফলেট ছাপানো, দলীয় প্রয়োজনে গাড়ি কেনা, বিভিন্ন জনসভায় খরচ, আলোচনা সভায় হলভাড়াসহ অন্যান্য খরচ, পত্রিকায় ক্রোড়পত্র ছাপানো, রমজানের ইফতার মাহফিল এবং অফিসিয়াল কার্যক্রমে খরচ হয়েছে।’

এমএইচএইচ/এমআই

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর