চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। শুক্রবার সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বন্যাদুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান, নায়েবে আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা মুফতি জসিম উদ্দিন, জিরি মাদ্রাসার মুহতামিম ও হেফাজতে ইসলামের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ খোবাইব বিন তৈয়ব, জামেয়া ইসলামিয়া পটিয়ার মুহতামিম মাওলানা মুফতি ইকরাম হোসাইন অদুদী, বাঁশখালী উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা নুরুল হক সুজিশ, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান জসিম, পৌরসভা সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা অর্থ সম্পাদক মাওলানা জুনাইদুর রশিদ শওকী এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক ক্বারী মাওলানা ইমরান।

সংগঠনটি জানায়, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে এবং আল্লামা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় বাঁশখালীর বাহারছড়া, সরল ও ভাদালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা এবং কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। দিনব্যাপী স্বেচ্ছাসেবকেরা পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহায়তা পৌঁছে দেন।
ত্রাণ বিতরণকালে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ঈমানি ও নৈতিক দায়িত্ব। হেফাজতে ইসলাম সবসময় অসহায় মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে।
তিনি বলেন, ত্রাণ বিতরণের মধ্যেই দায়িত্ব শেষ নয়। বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমেও কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও সক্ষম ব্যক্তিদের দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সংগঠনটির দাবি, ত্রাণ ও নগদ সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীর ছনুয়া, শেখেরখীল, শীলকূপ, গণ্ডামারা ইউনিয়নসহ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এআর




