সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ঢাকা

ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ তুললেন আখতার

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ পিএম

শেয়ার করুন:

ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ তুললেন আখতার
সংসদে বক্তব্য দিচ্ছেন এনসিপি সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। ফাইল ছবি

দেশে দুর্যোগ কি সরকারি দল–বিরোধী দল দেখে আসে—জাতীয় সংসদে এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা টিআর–কাবিখার বরাদ্দ পেলেও বিরোধী দলের এমপিরা তা পাননি।

তবে এ অভিযোগের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, যেসব সংসদ সদস্য বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র দিয়েছেন, তারা আগামীকাল–পরশুর মধ্যেই বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। সম্পূরক প্রশ্নে আখতার হোসেন বলেন, বাংলাদেশের দুর্যোগের ম্যাপে কি কোনো পরিবর্তন এসেছে? কারণ গত ৩০ এপ্রিল দুর্যোগ মন্ত্রণালয় যে বরাদ্দ দিয়েছে, তা শুধুমাত্র সরকারি দলের আসনগুলোতে দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের কোনো আসনে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, যদি এমন হতো যে দুর্যোগ শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতেই আসে, তাহলে বিষয়টি একভাবে দেখা যেত। কিন্তু দুর্যোগ এলে আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হই।

ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, গত ৩০ এপ্রিল সরকারি দলের আসনগুলোতে ৮৫ লাখ টাকা এবং ৯০ টন করে চাল ও গম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের কোনো আসনে এ বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। জনগণের করের টাকায় দেওয়া এ বরাদ্দ থেকে বিরোধী দলের এলাকার মানুষকে বঞ্চিত করা চূড়ান্ত বৈষম্য।

এ সময় তিনি জানতে চান, বৈষম্য দূর করে কবে নাগাদ বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সমতাভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়া হবে।


বিজ্ঞাপন


আখতার হোসেনের অভিযোগের পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এটি অত্যন্ত মৌলিক একটি প্রশ্ন। যদি অভিযোগটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তা অনুচিত। মন্ত্রী যেন এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

আরও পড়ুন: ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনায় জোর দিচ্ছে সরকার’

জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদের কাছে জরুরি ব্যবহারের জন্য জিআর নগদ অর্থ ও চাল বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

টিআর–কাবিখা বরাদ্দের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসব সংসদ সদস্য আমাদের কাছে চাহিদাপত্র দেন, তাদের আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। আমার বিশ্বাস, কাল–পরশুর মধ্যেই তারা তাদের বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারাও বরাদ্দ পাবেন। যারা চাহিদাপত্র দিয়েছেন, তাদের জন্য বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তা পৌঁছে যাবে।

টিএই/এআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর