রোববার, ৩১ মে, ২০২৬, ঢাকা

রাজস্ব তহবিলের ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে যা বললেন হাসনাত

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৬, ০৭:৪৭ এএম

শেয়ার করুন:

রাজস্ব তহবিলের ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে যা বললেন হাসনাত

কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেছেন কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি দাবি করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে কোনো অর্থ তিনি নেননি; বরং উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা জেলা পরিষদের এক অনুষ্ঠানে পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন এনসিপি বর্তমান মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এছাড়া কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহও ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।


বিজ্ঞাপন


তার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মূলত উপজেলার জন্য বরাদ্দ নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। এ টাকা কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি, বরং সংশ্লিষ্ট উপজেলাকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, এমনভাবে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে যেন তিনি ব্যক্তিগতভাবে অর্থ গ্রহণ করেছেন। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ওই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, প্রশাসক দাবি করেছেন অর্থটি রাজস্ব খাত থেকে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি রাজস্ব খাতের অর্থ নয়; এডিপি প্রকল্পের আওতায় দেওয়া বরাদ্দ।

কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে, কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য জেলা প্রশাসনের কাছে আছে। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের কাছেও অর্থ ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষিত আছে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সেই তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানান।


বিজ্ঞাপন


হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে যেকোনো জায়গা থেকে বরাদ্দ আনার চেষ্টা করা তার দায়িত্ব। মানুষের কল্যাণের জন্য প্রয়োজন হলে তিনি আরও উদ্যোগ নেবেন।

এই সংসদ সদস্যের দাবি, স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে অর্থটি দেওয়া হয়েছিল, যা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে দেবীদ্বার উপজেলার জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল এবং তা এডিপি প্রকল্পের আওতায় ব্যয় হয়েছে। জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব তহবিলের সঙ্গে এ অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

টিএই/এমআর

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর