সাধারণ শিক্ষার্থী সেজে সুবিধা নিতে শিবির আবারো গুপ্ত হতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
রোববার (১০ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে ছাত্র রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। জোরপূর্বক মিছিল-মিটিংয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া, গণরুম গেস্টরুমের নির্যাতন কোনোটাই নেই। কিন্তু শিবির গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ চেয়েছিল। কারণ তারা ভেবেছিল যে, হয়তো তারা আওয়ামী লীগের পতনের পরেও ঐভাবে প্রকাশ্যে রাজনীতির সুযোগ পাবে না।
তিনি আরো বলেন, শিয়ালের লেজকাটা গল্পের মত আরকি! কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তারা একের পর এক আত্মপ্রকাশ করেছে। সবাই তাদেরকে সাধুবাদ জানিয়েছে। শিবিরের যারা প্রকাশ্যে এসেছে, আজ অবধি কারো কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু গুপ্ত হয়ে সাধারণ শিক্ষার্থী সেজে থাকার মধ্যে অনেক সুবিধা আছে। যেটা তারা গুপ্ত থাকার আগে ও সুপ্ত হওয়ার পরের সময়ের মধ্যে এনালাইসিস করে পেয়েছে। এ কারণে শিবির আবারো গুপ্ত হতে চাচ্ছে।
রাশেদ খাঁন বলেন, ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের নামে গত রাতে ইডেন কলেজ উত্তাল হয়েছে। অবাক হয়ে গেলাম, এসব শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ নেকাব কিংবা মাক্স পরা! অথচ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ইডেনের যে সকল শিক্ষার্থীরা গেট ভেঙে নেমে এসেছিল; তারা কিন্তু খুব স্বাভাবিক পোশাকেই বের হয়ে এসেছিল।
তিনি আরো বলেন, তারা নেকাব বা মাস্ক পরে নিজেকে লুকাতে চায় নি! আমি আমার এই বোনদের পরামর্শ দিব, প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে ইডেনের সামনে রাস্তার দুই ধার দিয়ে যেসকল কাপলরা বসে থাকে... কারা বসে থাকে জানি না, কিন্তু এটা বন্ধ করতে পারলে আপনাদের সুনাম হবে। এটা বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করলে মানুষ সাধুবাদ জানাবে।
রাশেদ খাঁন বলেন, কোনো অভিভাবক কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে সেটা হল কিংবা ক্যাম্পাসের গেস্টরুমে সাক্ষাতের সুযোগ আছে। কিন্তু রাস্তার দুই ধারে দীর্ঘসময় বসে থেকে যারা ইডেনের বদনাম করছে, এই অপসংস্কৃতি বন্ধে আপনাদের কঠোর আন্দোলন দেখতে চাই। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, অপসংস্কৃতি নিষিদ্ধ হোক।
এসএইচ/এফএ




