ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্যদের মারধর ও হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)। দলটি বলেছে, এই হামলা শুধু সাংবাদিকদের ওপর আঘাত নয়, বরং দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুতর অশনিসংকেত।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জেডিপির আহ্বায়ক নাঈম আহমাদের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, গত দুই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর মারধর ও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। এতে দলটি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জেডিপির মতে, সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা শুধু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রশ্ন নয়, বরং গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্যও হুমকি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা তথ্য, উস্কানি ও অপপ্রচারের কারণে বিভাজনমূলক রাজনীতি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে, যার প্রতিক্রিয়া এখন রাজপথে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে শিবির ও ছাত্রদলের আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী তৎপরতার কথাও উল্লেখ করা হয়।
জেডিপি আরও জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনাও নিন্দনীয়। এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে অতীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর পুনরুত্থানের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দলটি।
হামলার শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি মানজুর হোসাইন মাহি, ডেইলি অবজারভারের প্রতিনিধি নাইমুর রহমান ইমন, সদস্য সজীব আহমেদ, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান খান, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি হারুন ইসলাম এবং প্রাইম বাংলাদেশের ঢাবি প্রতিনিধি ইফতেখার সোহান সিফাতের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জেডিপি দাবি করেছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের শামিল। অবিলম্বে সব ধরনের উস্কানিমূলক তৎপরতা বন্ধ করা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এমআর/এএস




