যারা গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের অনেকে এখনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান।
তিনি আরও দাবি করেন, তারা দেশের ভেতর অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এক সময় গুমের শিকার ব্যারিস্টার আরমান এসব দাবি করেন।
বক্তব্যে নিজের গুম হওয়া এবং গুমের শিকার কয়েকটি পরিবারের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন জামায়াতের এই সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে তিনটি দাবি তুলে ধরেন।
সেগুলো হলো— জবাবদিহি নিশ্চিত করা, গুমের শিকার পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ যাতে আর না হয়, সেজন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
তিনি এজন্য শক্ত আইন, রাজনৈতিক দৃঢ়তা, স্বাধীন গুম কমিশন ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞাপন
গুমসংক্রান্ত মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, তারা বেশ কিছু শক্তিশালী অপশক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। যারা এখনো ক্ষমতাসীন অবস্থায় বিদ্যমান। এ সাক্ষী তাদের বিশেষ অসুবিধার কারণ।
তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবনের ঝুঁকি এখনো রয়েছে। যেমনভাবে জীবন দিতে হয়েছে আমাদের ভাই হাদিকে।’
গুম হওয়া পরিবারগুলোর কথা তুলে ধরে আরমান বলেন, যারা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা এখনো রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায়নি। ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রয়োজন। গুমে জড়িতদের বিচার যেন ফ্যাসিস্ট আমলের লোক দেখানো একটি নাটকের মতো না হয়, সে দাবিও করেন তিনি।
টিএই/এএইচ




