বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি ইসলামী আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

শেয়ার করুন:

goods
নিত্যপণ্যের বাজার। ফাইল ছবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমেদ বলেছেন, ‘নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ মারাত্মক চাপে পড়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।’

বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। 

মাওলানা ইউনুছ বলেন, সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা বাধ্য হয়ে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন, আবার কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।

gh
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমেদ। ফাইল ছবি

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে সোনালি মুরগির কেজি ৪০০–৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রমজানে ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকা কেজি দরে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছের দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম লিটারে অন্তত ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এছাড়া বিভিন্ন সবজির দাম ২০–৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

এদিকে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে খুচরা পর্যায়ে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব দাবি করেন, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কারণ নেই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি ও অতিমুনাফার প্রবণতার কারণে বাজার অস্থিতিশীল হচ্ছে। 

তিনি বাজার তদারকি জোরদার করা, মজুতদারি বন্ধ এবং অতিমুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এমআর/এএইচ

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর