রোববার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ঢাকা

মানবাধিকার অধ্যাদেশ অনুমোদনের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৬ পিএম

শেয়ার করুন:

অধ্যাদেশসমূহ বাতিল করে পতিত স্বৈরতন্ত্রের পথে হাঁটছে সরকার: ইসলামী আন্
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো। ছবি : ইন্টারনেট

মানবাধিকার কমিশনের ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা না করে মানবাধিকার অধ্যাদেশ দ্রুত অনুমোদনের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শনিবার (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মানবাধিকার অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় নির্দিষ্ট সময় পর এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া আপত্তিগুলো পর্যালোচনা করলে মানবাধিকার কমিশনের ওপর নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রবণতাই বেশি স্পষ্ট হয়।


বিজ্ঞাপন


গাজী আতাউর বলেন, অধ্যাদেশের ধারা ৩(২)-এ কমিশনকে কোনো মন্ত্রণালয়ের অধীনে না রাখার বিষয়ে আপত্তি তুলে আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সঙ্গে প্রশাসনিকভাবে যুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মানবাধিকার কমিশন যদি কোনো সরকারি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাদের তদন্ত কার্যক্রমের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধারা ৭-এ বাছাই কমিটিতে নির্বাহী প্রতিনিধির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব, ধারা ৮-এ কমিশনের প্রতিটি পদের জন্য দুটি করে নাম প্রস্তাবের বিষয়, ধারা ১৩-এ নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্তের আগে সরকারের অনুমতি নেওয়ার শর্ত এবং ধারা ১৬-এ গ্রেফতারের আগে আদালতের পরিবর্তে সরকারের অনুমতির বিষয়টি অধ্যাদেশকে দুর্বল করার শামিল।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, মানবাধিকার বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তি, প্রটোকল ও সনদগুলোতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ যদি এসব আপত্তির ভিত্তিতে অধ্যাদেশটি বাতিল করে, তাহলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে একই ধরনের সুযোগ তৈরি করতে চাইবে, এমনটি বিশ্বাস করা কঠিন। তাই সরকারের প্রতি জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে মানবাধিকার ও গুম প্রতিরোধসংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুমোদনের আহ্বান জানান তিনি। 


বিজ্ঞাপন


এমআর/ক.ম  

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর