শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ঢাকা

জামায়াত আমিরের নির্বাচনি ব্যয় ৩২ লাখ ৫৮ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম

শেয়ার করুন:

Jamaat Ameer Shafiqur Rahman
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে নির্বাচনি ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়।


বিজ্ঞাপন


ব্যয় বিবরণী বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি নির্বাচনে প্রচারণা বাবদ ব্যয় করেছেন ১৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫০ টাকা। পরিবহন বাবদ খরচ করেছেন ৮৮ হাজার ৯৬ টাকা। জনসভা করতে খরচ করেছেন ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। নির্বাচনি ক্যাম্পে খরচ হয়েছে ৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৪২ টাকা।

এ ছাড়া এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ বাবদ খরচ করেছেন ২ লাখ ৯৩ হাজার ৮৯০ টাকা। আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ব্যয় হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচারণা বাবদ খরচ করেছেন ৭১ হাজার ৬০ টাকা। সব মিলিয়ে তিনি মোট ব্যয় করেছেন ৩২ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৮ টাকা।

ইসি সূত্র আরও জানায়, বিগত নির্বাচনে ভোটারপ্রতি ব্যয় ১০ টাকা হলেও সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার বেশি কেউ ব্যয় করতে পারতেন না। এবার সেই নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় ধরে যেটি বেশি হবে, প্রার্থীরা সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।

সে হিসাবে ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এই আসনের প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ ১৭ হাজার ১৮০ টাকা পর্যন্ত নির্বাচনি ব্যয় করতে পারতেন। সে হিসেবে জামায়াতের আমির প্রায় আড়াই লাখ টাকা কম ব্যয় করেছেন।


বিজ্ঞাপন


আরপিওর অনুচ্ছেদ ৪৪ অনুযায়ী প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয় ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জামানত জমা দিতে হয়, যা আগে ছিল ২০ হাজার টাকা।

নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যয়সীমা নিয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, প্রার্থী ভোটারপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন অথবা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী একটি নির্বাচনি আসনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। একজন প্রার্থী প্রতিটি ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ১০ টাকা ব্যয় করতে পারতেন। এ দুটি সীমার মধ্যে যেটি কম হতো, সেটিই একজন প্রার্থীর জন্য চূড়ান্ত নির্বাচনি ব্যয়সীমা হিসেবে প্রযোজ্য ছিল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই হারে ব্যয়সীমা নির্ধারণ ছিল।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০০৮)-এ একটি সংসদীয় আসনে একজন প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা। সে সময় আসনের ভোটার সংখ্যার ভিত্তিতে ব্যয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২ লাখ বা তার বেশি ভোটারবিশিষ্ট আসনে সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা এবং ১ লাখ থেকে ২ লাখ পর্যন্ত ভোটারবিশিষ্ট আসনে সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ছিল ৭ লাখ টাকা।

এমএইচএইচ/এএস

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর