চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় হামলায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দলটি।
একইসঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
এসময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানকে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় তার ভাই জবীননগরের বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।
পরবর্তীতে তাকে ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার তিনি মারা যান।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের ওপর এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতনের পর বিএনপির সন্ত্রাসীদের এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াতের এই নেতা বলেন, দেশে আইনের শাসন এবং নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তা না হলে অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হয়ে হত্যা, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়বে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে।
বিবৃতিতে নিহত মফিজুর রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
টিএই/এএইচ

