গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ বজায় রাখতে সরকারের কার্যকর ভূমিকা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম আক্রান্ত হলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র। ভবিষ্যতে যেন কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক হামলার শিকার না হন, সে জন্য সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে।’
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে রাজধানীতে অগ্নিদগ্ধ প্রথম আলো ভবনে আয়োজিত শিল্প প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
গণঅধিকার পরিষদের প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিলু খান, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন কবীর, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, কাজী হায়াৎসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আবু হানিফ বলেন, ‘গণমাধ্যম রাষ্ট্রের প্রকৃত চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরে। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা বারবার হামলা ও নিপীড়নের শিকার হন। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও বহু সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, ‘দেশের সংবাদমাধ্যমের মধ্যে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার দীর্ঘদিন ধরে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে আসছে এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অথচ অন্তর্বর্তীকালীন সময়েই এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।’
আবু হানিফ বলেন, ‘প্রথম আলোর ওপর হামলা মানে মুক্ত সাংবাদিকতার ওপর হামলা। অতীতে যেমন দৈনিক সংগ্রাম–এর সম্পাদকের ওপর হামলার নিন্দা জানানো হয়েছিল, তেমনি প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলার ঘটনাও সমানভাবে নিন্দনীয়।’
তিনি অভিযোগ করেন, প্রায়ই দেখা যায় সাংবাদিকরা ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়েন এবং তাদের দ্বারাই বেশি হামলার শিকার হন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে দায়িত্ব নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
এমআর/এমআই

