সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ঢাকা

আ.লীগের বিভিন্ন কার্যালয় খোলার চেষ্টা, নেপথ্যে কী?

ঢাকা মেইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৮ পিএম

শেয়ার করুন:

league
বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের অফিস দীর্ঘদিন পর খোলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করছেন বা তালা খুলে ভেতরে প্রবেশও করেছেন– এরকম খবর উঠে আসছে সংবাদ মাধ্যমে। দলের নির্দেশে নাকি ব্যক্তিগত উদ্যোগে তারা এ ধরনের তৎপরতা চালাচ্ছেন, নাকি এর পেছনে বিএনপি বা জামায়াত বা অন্য কারো সঙ্গে কোনো সমঝোতা আছে– এসব প্রশ্নও সামনে আসছে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত দলটির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং সে কারণে তারা এই নির্বাচনেও অংশ নিতে পারেনি। তবে নির্বাচনের পরপরই নেতাকর্মীরা ঢাকাসহ বেশ কিছু জেলা ও উপজেলায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় খুলে প্রবেশ করেছে বা প্রবেশের চেষ্টা করেছে। আবার কিছু জায়গায় কার্যালয় খোলার পরপর পাল্টা দখল ও হামলারও ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের তৎপরতার পেছনে কারণ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে অনেকের মধ্যে।


বিজ্ঞাপন


আরও পড়ুন

ভারতে বসে রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন আওয়ামী লীগ নেতারা: দ্য গার্ডিয়ান

আত্মগোপনে থাকা দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলছেন, দলের কার্যালয় নিষিদ্ধ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়নি বলে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সেখানে যেতে বাধা নেই বলেই মনে করেন তারা। ‘এখানে নির্দেশনা বা সমঝোতার কিছু নেই। কর্মী-সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। ইউনূসের অবৈধ সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সবার জন্য উন্মুক্ত হবে এটা আশা করে তৃণমূলের কর্মী- সমর্থকরা দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছে বা যেতে চাইছে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

League1
দখলের পর ফের হামলার শিকার হয় আওয়ামী লীগের কার্যালয়। ছবি: ঢাকা মেইল

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরেই ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।


বিজ্ঞাপন


দলীয় নির্দেশনা, নাকি কর্মীদের নিজেদের উদ্যোগ?

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপনের শেষ দিকে উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কর্তৃক যে কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।’ তবে ইউনূস সরকারের সময়েও দলটির নেতাকর্মীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়ে বিচ্ছিন্নভাবে 'ঝটিকা মিছিল' বের করেছেন। এছাড়া দলটির অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলের পক্ষে ও সরকারের বিপক্ষে মতামত বা প্রচারণা চালিয়ে আসছে। নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে তাদের 'নো বোট, নো ভোট' প্রচারণাও অনেকের চোখে পড়েছে।

আরও পড়ুন

আওয়ামী লীগের অভিশাপমুক্ত হতে পারবে কি দেশ ও জনগণ!

২০২৪ সালের আগস্টের পর নিজ জেলায় অবস্থান করতে পারেননি রিহান সরদার নামে ছাত্রলীগের একজন কর্মী। এরপর ঢাকায় অবস্থান নিয়ে ঝটিকা মিছিলসহ নিজেদের উদ্যোগেই নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে আসছেন বলে জানান তিনি।

বিবিসি বাংলাকে রিহান সরদার জানান, তারা দলীয় প্রধান শেখ হাসিনারই একটি বার্তা পেয়েছেন, যেখানে তিনি সারাদেশে যার যেখানে সম্ভব দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। ‘মূলত এরপর থেকেই সব জায়গায় এ চেষ্টা করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক, যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই যাচ্ছে,’ বলছিলেন রিহান সরদার।

League4
এখনো পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ছবি: ঢাকা মেইল

 

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, শেখ হাসিনা বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে নিয়মিত তৃণমূল নেতাদের সাথে যেসব আলোচনা করেন সেখানেই তিনি কার্যালয়ে যাওয়ার বিষয়ে এ পরামর্শ দিয়েছেন।

ঢাকা বিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যাওয়ার কর্মসূচি দিয়ে সেখানে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন। কিন্তু এটি কর্মীদের কিছুটা সাহস যুগিয়েছে বলে মনে করেন রিহান সরদার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, তারা কর্মীদের দলীয়ভাবে উৎসাহিত করছেন, কারণ দলীয় কার্যালয়ে যেতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

‘আওয়ামী লীগ দেশের বড় রাজনৈতিক দল, দলটির কর্মীরা কার্যালয়ে যাবে এটা তাদের রাজনৈতিক অধিকার,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন

নতুন চাপে আ.লীগ, আরও কঠিন হচ্ছে ফেরার পথ

এছাড়াও দলটির কয়েকটি জেলার নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে যে ধারণা পাওয়া গেছে তা হলো- নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি বা জামায়াতের প্রভাবশালী নেতারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে ভোটের সমর্থনের আশায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় জনপ্রিয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। সে সময়ই অনেক জায়গায় আওয়ামী লীগের ওই নেতারা নির্বাচনের পর তাদের কার্যালয় খুলতে দেওয়া হবে কিংবা বাধা দেওয়া হবে না- এমন আশ্বাস পেয়েছেন।

তবে কোনো কোনো জায়গায় আশ্বাস দেওয়া বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের নিজ দলীয় প্রতিপক্ষ গ্রুপ এখন আবার তাতে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে। ফলে কার্যালয় খোলার পরেও কয়েকটি জায়গায় আবার হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বাহাউদ্দিন নাছিম বলছেন, তারা আশা করছেন এসব বিপত্তি কেটে যাবে এবং সরকার শিগগিরই আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেবে।

পঞ্চগড় থেকে শুরু

নির্বাচনের পর দিনই আলোচনায় আসে পঞ্চগড়ের আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়ের তালা খোলার ভিডিও। বিশেষ করে বিএনপির স্থানীয় একজন নেতার উপস্থিতিতে তালা খোলার ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তোলে। ভিডিওতে দেখা যায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চাকলাহাট ইউনিয়ন কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে তিনি দাবি করেন, এই কার্যালয়টি যে আওয়ামী লীগের তা তিনি জানতেন না।

League3
আওয়ামী লীগ কার্যালয়কে পাবলিক টয়লেট ঘোষণা করা হয়। ছবি: ঢাকা মেইল

এরপর গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনার বেতাগী ও পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা কার্যালয় এবং খুলনায় কার্যালয় খুলে অবস্থান করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ, শরীয়তপুর, নোয়াখালী, জামালপুর রাজবাড়ীসহ আরও কয়েকটি এলাকায় জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বন্ধ থাকা কিছু কার্যালয় খোলার পর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দলীয় বিভিন্ন স্লোগান দিয়েছেন নেতাকর্মীরা- এমন খবরও এসেছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে।

আবার কোনো কোনো জায়গায় কার্যালয় খোলার পর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের কর্মীরা এসে পাল্টা হামলা করেছে বা কার্যালয় বন্ধ করে দিয়েছে- এমন ঘটনাও ঘটেছে।

আরও পড়ুন

দল হিসেবে আ.লীগকে বিচারের আওতায় চায় বিএনপি

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহের তারাকান্দায় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় খোলার পর সেখানে গিয়ে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) স্থানীয় একদল নেতাকর্মী। এ সময় কার্যালয়ের ভেতরে গাড়ির টায়ারে আগুন জ্বালানো হয়।

কেন্দ্রীয় ও সভানেত্রীর কার্যালয়

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর হয়। অনেক জায়গায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডিতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের 'ধানমন্ডি ৩২' হিসেবে ঐতিহাসিকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠা বাসভবনও ভাঙা হয়েছে এ সময়ের মধ্যে।

বাহাউদ্দিন নাছিমের মতে, সারাদেশেই তাদের দলীয় কার্যালয়গুলোতে হামলার পর দখল করা হয়েছিল এবং তিনি মনে করেন যারা দখল করেছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর তারাও সরে যাওয়ায় এখন কার্যালয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

League5
পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ও। ছবি: ঢাকা মেইল

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দশ তলা ভবনটিতে ব্যাপক হামলার পর আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর। এরপর একদল ব্যক্তি 'আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট' লেখা একটি ব্যানার সেই ভবনে ঝুলিয়ে দিয়েছিল।

এছাড়া তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়েও ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের পর থেকে এই তিন ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। এবার নির্বাচনের একদিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারি দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করে কয়েকজন নেতাকর্মী।

এরপর ২০ ফেব্রুয়ারি সংবাদ মাধ্যমে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দলটির কয়েকজন নারী কর্মী ধানমন্ডিতে দলটির সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো যে ভবনটি, তার সামনে গিয়ে জাতীয় পতাকা টানিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা যা বলছেন

রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোবাইদা নাসরীন বলছেন, নির্বাচনের পর যেসব জায়গায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার তথ্য এসেছে সেখানে অনেক জায়গাতেই স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতার বিষয়টি সামনে এসেছে। ‘আমার মনে হয় নির্বাচিত সরকার এসেছে এবং এখন তাদের কাছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা গুরুত্ব পাবে। আওয়ামী লীগকে ছাড়া বিগত সরকার নির্বাচন করে গেছে। দলটির কর্মী-সমর্থকরা দেশে আছে এবং অনেকে কারাগারে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে দলটির কার্যালয় খোলা বা স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ পেলে তা ইতিবাচকই হবে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

আরেকজন বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলছেন, নির্বাচিত সরকার আসার পর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম আবার শুরুর একটি প্রক্রিয়ার হয়তো সূচনা হয়েছে কার্যালয় খোলার তৎপরতার মাধ্যমে। ‘গত সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়নি। কিন্তু তার মানে এই না যে দলটি সবসময় নিষিদ্ধ থাকবে। আবার আওয়ামী লীগ অন্তর্বর্তী সরকারকে গ্রহণ করেনি, কিন্তু নির্বাচিত সরকারকে তারা প্রত্যাখ্যানও করেনি। তাছাড়া বিভিন্ন দলকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়ার উদাহরণ বিএনপির আগেও আছে,’ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন তিনি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

জেবি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর