শহীদ ওসমান বিন হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকার যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে ভারতীয় এজেন্ট ও ফ্যাসিবাদী শক্তি লুকিয়ে আছে, তাদের খুঁজে বের করে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, ইনকিলাব মঞ্চে হামলার পরপরই ছাত্রদলের কিছু নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোনালাপে উল্লাস প্রকাশ করেছেন। যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরোধিতা করছে, তারাই হামলা ও গুলির মদদ দিচ্ছে। এতে প্রমাণ হয় হামলার নির্দেশ দিল্লি থেকে গুলশান হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৌঁছেছে।
বিজ্ঞাপন
রাশেদ প্রধান বলেন, যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শাহবাগের হাদি চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশ চলাকালে ছদ্মবেশে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ একসঙ্গে পুনরায় হামলার জন্য অবস্থান নেয়।
বিবৃতিতে রাশেদ প্রধান বলেন, আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে—সন্তানের হত্যার বিচার চাইতে এলে শহীদ ওসমান হাদির মায়ের পেটে পুলিশ বাহিনী লাথি মেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলায় আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর এজিএস আম্বার, জুলাই যোদ্ধা মোশাররফ হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। ইনকিলাব মঞ্চের ঝুমা ও শান্তাসহ শতাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। দেশবাসী জানতে চায়—কাদের নির্দেশে মা-বোনদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, কারা নারী হত্যা, হামলা ও ধর্ষণের মাধ্যমে নির্বাচন বানচাল করতে চায়।
রাশেদ প্রধান বলেন, বিভিন্ন তথ্যসূত্রে জানা গেছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রতিহত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির যৌথ নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে দিল্লিতে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তিনি দাবি করেন, জনগণ সব জানে; কথাবার্তা পরিষ্কার—১১ তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশে পাহারা দেওয়ার জন্য ১১ দলসহ এদেশের ছাত্র-জনতা প্রস্তুত রয়েছে।
এম/ক.ম

